ঢাকাWednesday , 2 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘পার্বত্য শান্তিচুক্তি একধরনের প্রতারণা’

Link Copied!

abul moksudনিজস্ব প্রতিবেদক : বিশিষ্ট কলামিস্ট ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেছেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তি শব্দটি কাগজে রইলেও বাস্তবে রইল না। এটা একধরনের প্রতারণা, ইসলামী ভাষায় যাকে বলা হয় মোনাফেকি।
মকসুদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই চুক্তি করা হয়েছিল।  তারাই এখন ক্ষমতায় আছে। তাই এ সরকারের নৈতিক দায়িত্ব এ চুক্তি বাস্তবায়ন করা।’
বুধবার দুপুরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের সেমিনার কক্ষে পাবর্ত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ১৮তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন: একটি জাতীয় অঙ্গীকার’ শীর্ষক আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আইইডি’র নির্বাহী পরিচালক নুমান আহমেদ খান।
তিনি বলেন, ‘এ চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে মাত্র ১৭টি ধারা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়েছে। চুক্তির যে ধারাগুলো বাস্তবায়ন হয়েছে তা গৌণ ধারা। মূল ধারা অবাস্তবায়িত থেকে গৌণ ধারা বাস্তবায়ন যথেষ্ট নয়।’
‘পাবর্ত্য শান্তিচুক্তি করেছে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, এখন তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আমলাদের উপর। আমলাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্ব সরে থাকলে অনন্তকালেও চুক্তি বাস্তবায়ন হবে না।’ যোগ করেন তিনি।
এ সময় তিনি দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে চুক্তি বাস্তবায়নে জনমত সৃষ্টির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে জাতীয় নাগরিক উদ্যোগের ৪ দফা  দাবি তুলে ধরেন।
দাবিগুলো হলো: চুক্তি অনুয়ায়ী পাবর্ত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা। পাবর্ত্য চট্টগ্রাম চুক্তি যথাযথ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুত সময়সূচি-ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ ঘোষণা করা। আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদসমূহের ক্ষমতায়ন ও কার্যকরণ, অপারেশন উত্তরণসহ সকল অস্থায়ী ক্যাম্প প্রত্যাহার,পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ ‍নিষ্পত্তি কমিশন আইন সংশোধন, শরণার্থী ও অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনসহ চুক্তির অবাস্তবায়িত বিষয়াদি দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। চুক্তি বাস্তবায়নে বাধাসমূহ দূর করার জন্য অবিলম্বে উচ্চ পর্যায়ের সংলাপ শুরু করা।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সহ-সভাপতি ঊষাতন তালুকদার এমপি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, সাংবাদিক মোজাম্মেল হক, অধ্যাপক মেজবাহ কামাল, এএলআরডি’র নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা প্রমুখ।