নিজস্ব প্রতিবেদক : নৌ-পরিবহন সচিব শফিক আলম মেহেদি বলেছেন, মেরিটাইম সেক্টরকে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এ সেক্টরের উন্নয়নমূলক কাজ এখন দৃশ্যমান।
তিনি বলেন, ‘উপকূলীয় এলাকায় আমাদের জাহাজ চলছে। উন্নয়ন প্রকল্প শুরু থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত আমরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার সকালে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিপিং রিপোর্টার্স ফোরামের নবনির্বাচিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।
সচিব বলেন, ‘উপকূলীয় জাহাজ চলাচল চুক্তির (স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর-এসওপি) অংশ হিসেবে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। এর ফলে বাংলাদেশ-ভারত উপকূলে চলবে পণ্যবাহী জাহাজ।’
এই চুক্তির ফলে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলের বন্দরগুলো থেকে পণ্যবাহী জাহাজ সরাসরি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরসহ অন্য বন্দরগুলোতে পণ্য পরিবহন করতে পারবে। একইভাবে বাংলাদেশের পণ্যবাহী জাহাজও ভারতের বন্দরগুলোতে সরাসরি পণ্য নিয়ে যেতে পারবে। এতে দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে খরচ কমবে বলে সচিব জানান।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দৃশমান কাজ সম্পর্কে শফিক আলম মেহেদি বলেন, ‘৭টি ড্রেজার নিয়ে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসে। বর্তমান ১১টি ড্রেজার কেনা হয়েছে। আরও ২০ ড্রেজার ও ৬টি জাহাজ কেনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ছাড়া মংলা-ঘষিয়া খালি নৌ-চ্যানেল আগামী ডিসেম্বরের আগেই চালু করা হবে।’
উপকূলীয় এলাকায় বাংলাদেশের জাহাজ চলাচল করছে। এসব প্রকল্প নৌ-পরিবহন সেক্টরে দৃশ্যমান বলে দাবি করেছেন নৌ-সচিব। পরে শিপিং রিপোর্টার্স ফোরামের জন্য একটি কার্যালয় করে দেয়ার আশ্বাস দেন সচিব।
এ সময় নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব জিকরুর রেজা খানম, অতিরিক্ত সচিব নাসির আরিফ মাহমুদ, নৌ-সচিবের একান্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম খান, শিপিং রিপোর্টার্স ফোরামের সহ-সভাপতি হরলাল রায় সাগর, সাধারণ সম্পাদক কাজী জেবেলসহ শিপিং রিপোর্টার্স ফোরামের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

