ঢাকাTuesday , 24 November 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

Link Copied!

freedom-fitarনিজস্ব প্রতিবেদক : সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্তে নিজের জন্মদাতা বাবার পরিচয় পরিবর্তন করে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দিয়ে চাকরি করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুদকের উপপরিচালক ও মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা খোন্দকার খলিলুর রহমান মহামান্য আদালতে চার্জশিটটি দাখিল করেন। চার্জশিট নং ৩৩৭। গত ২০ অক্টোবর মনিরুজ্জামানকে একমাত্র আসামি করে এ চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেয় কমিশন। দুদক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দুদকের তদন্ত সূত্রে জানা যায়, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়নের তেবারিয়া বাড়িয়া গ্রামের দুই ভাই মো. মইনুল ইসলাম ও মো. মনিরুজ্জামান। তারা নিজের বাবার পরিচয় গোপন করে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ জমা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়েছিলেন। বিষয়টি দুদকের অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে আসামি করে গত ১৫ জানুয়ারি ও ২১ এপ্রিল পৃথক দু’টি মামলা করা হয়। এজন্য চাকরি পাওয়ার এক বছরের মধ্যে চাকরি হারাতে হয় ওই দুই ভাইকে। এর মধ্যে ছোটভাই মনিরুজ্জামান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে শুল্ক, আবগারি ও ভ্যাট অনুবিভাগের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেন।
দুদকের তদন্তে আরো দেখা যায়, মনিরুজ্জামান যে মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট জমা দিয়ে চাকরি নিয়েছিলেন, সেটি সঠিক ছিল। তবে এটা তার বাবা মো. আব্দুল সামাদের নয়। দড়গ্রাম ইউনিয়নের তেবারিয়া বাড়িয়া গ্রামের আব্দুল সামাদ কোনো মুক্তিযুদ্ধ করেননি। তবে আসল মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন একই উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ছনকা গ্রামের আব্দুস সামাদ। তার বাবার নাম ইয়াছিন মণ্ডল। তার মুক্তি বার্তা নম্বর ০১০৭০৫০১১৯।
আর তেবারিয়া বাড়িয়া গ্রামের মো. আব্দুল সামাদের বাবার নাম আব্দুল মুন্নাফ। যিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। ওই দুই ভাই পাশের ইউনিয়ন থেকে আসল মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদের সনদ নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ও ইউপি চেয়ারম্যানের জাল চারিত্রিক সনদপত্র দিয়ে চাকরি নিয়েছিলেন।
যদিও গত বছরের ২১ ডিসেম্বরে মইনুল ইসলামকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আর সব অভিযোগ উঠলে মুনিরুজ্জামান নিজেই চাকরি থেকে ইস্তাফা দেন।