নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীদের আইডিকার্ড নবায়নে বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের সুপারিশ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিককে স্মারকলিপি দিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্র জোট।
মঙ্গলবার দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে উপাচার্যের হাতে এ স্মারকলিপি তুলে দেন প্রগতিশীল ছাত্র জোটের নেতারা। এ সময় তারা ফি প্রত্যাহারে বিভিন্ন যুক্তি উপাচার্যের কাছে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বর্ধিত ফি প্রত্যাহারে বিশ্ববিদ্যালয়কে সাতদিনের সময় বেঁধে দেন প্রগতিশীল জোটের নেতারা।
নেতারা বলেন, ‘এক বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই নীতি কীভাবে হয়? এখানকার অন্যান্য হলগুলোতে যেখানে দিতে হয় মাত্র সাড়ে ৩শ থেকে সাড়ে ৪শ টাকা সেখানে বিজয় একাত্তর হলে কেন এতো বেশি? এটি তো কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কৌশলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বেসরকারিকরণ করতে চায়। এ লক্ষ্যে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীন আয়বৃদ্ধির উপর জোর দেয় এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার প্রস্তাব দেয়।’
এছাড়া হলে অতিথি রাখতে হলে হলপ্রশাসনকে ১০০ টাকা দেয়ার বিধানকে তারা বাণিজ্যিক হোটেলের সঙ্গে তুলনা করেন।
বর্ধিত ফি নির্ধারণের প্রতিবাদে প্রগতিশীল ছাত্র জোট স্মারকলিপিতে কয়েকটি দাবি তুলে ধরে। এগুলো হলো- আগামী ৭ দিনের মধ্যে ৩ হাজার ৬০০ টাকার ফিয়ের অযৌক্তিক দাবি প্রত্যাহার করতে হবে, হলের ভেতরের খেলার মাঠটি ছাত্রদের জন্যে উন্মুক্ত করতে হবে, হল লাইব্রেরি চালু করতে হবে এবং বিশেষায়িত হল স্থাপনের যাবতীয় প্রশাসনিক তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।
স্মারকলিপি দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন- ঢাবি শাখা ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি লিটন নন্দী, সাধারণ সম্পাদক তুহিন কান্তি দাস, ছাত্র ফেডারেশন ঢাবি শাখা সভাপতি উম্মে হাবিবা বেনজীর, সাধারণ সম্পাদক তাহসীন মাহমুদ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ইভা মজুমদার প্রমুখ।

