স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথম ম্যাচে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়ে জিতেছিল পাকিস্তান। দ্বিতীয় ম্যাচে অ্যালেক্স হেলসের সৌজন্যে সেই কাজটি করলো ইংল্যান্ড । হেলসের ক্যারিয়ার-সেরা ১০৯ রানের উপর ভর করে ইংলিশরা আগে ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ২৮৩ রান। জবাবে কখনো জয়ের মতো অবস্থা তৈরি করতে না পারা পাকিস্তান গুটিয়ে গেছে ১৮৮ রানে। ফলে ৯৫ রানের জয়ে চার ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-১ এ সমতা ফেরালো এউইন মরগানের দল।
এদিন ইংল্যান্ডের ছুড়ে দেয়া ২৮৩ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। টপ-অর্ডারে এক আজহার আলি ছাড়া আর কোন ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। পাকিস্তান অধিনায়কের ব্যাট থেকে এসেছে ২২ রান।
৫০ রানে নেই পাঁচ উইকেট। ৮০ রানে ফিরে যান মোহাম্মদ রিজওয়ানও (১৭)। একটা দলের প্রথম সারির ছয় ব্যাটসম্যান ব্যর্থ হলে সেই দল আর কতদূর যেতে পারে! পাকিস্তানও অলআউট হওয়ার আগে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে পৌঁছতে পেরেছে ১৮৮ রান পর্যন্ত।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান সরফরাজ আহমেদ। এই ইনিংসটি তিনি সাজান ৭৬ বলে তিন চারের সাহায্যে। আনোয়ার আলি ৩৪ বলে করেন ২৩ রান।
ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল বোলার ক্রিস ওকস ৩৩ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ডেভিড উইলি ৩ উইকেট পেয়েছেন ২৫ রানে।
এর আগে ইংল্যান্ডকে দারুণ শুরু করে দিয়ে যান দুই ওপেনার হেলস এবং জেসন রায়। ওপেনিং জুটিতেই তারা তুলে ফেলেন ১০২ রান। জেসন রায় ৫৭ বলে আট চারে ৫৪ রানের ইনিংস খেলে ফিরে গেলেও পরে ঠিকই ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন হেলস।
দ্বিতীয় উইকেটে তিনি জো রুটকে নিয়ে গড়েন ১১৪ রানের জুটি। ইফতেখার আহমেদের বলে স্ট্যাম্পড হওয়ার আগে হেলস ১১৭ বলে সাত চার আর তিন ছয়ে খেলেছেন ১০৯ রানের ইনিংস। রুটের ব্যাট থেকে ৬৩ রান এসেছে ৭৭ বলে তিন চারের সাহায্যে। এছাড়া অধিনায়ক মরগ্যান ২৯ বলে করেন ২৯ রান।
৪৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন ওয়াহাব রিয়াজ। অনবদ্য ব্যাটিংয়ের কল্যাণে ম্যাচ-সেরার পুরস্কার জিতেছেন অ্যালেক্স হেলস। সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে হবে মঙ্গলবার।
ম্যাচ শেষে নিজেদের ব্যর্থতাকেই বড় করে দেখে আজহার বলেন, ‘ইংল্যান্ড খুবই ভালো খেলেছে। আমরাও মনে করেছিলাম তারা ফিরে আসবে। তাদের বোলাররা ভালো করেছে। আমাদের বোলাররাও তাদের আটকে রাখতে পেরেছে। কিন্তু শুরুটা ভালো না হওয়ায় আমরা আমাদের মতো ক্রিকেট খেলতে পারিনি।’

