স্পোর্টস ডেস্ক : বড়দের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলছেন টাইগার যুবারাও। শনিবার জিম্বাবুয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে সাত উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো জুনিয়র টাইগাররা। এই জয়ের ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই চার ম্যাচ সিরিজ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
শনিবার তৃতীয় ওয়ানডেতে আরিফ-মিরাজদের বিধ্বংসী বোলিংয়ে তাসের ঘরের মতো গুড়িয়ে যায় জিম্বাবুয়ান যুবারা। মাত্র ৮৪ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। জবাবে মাত্র ১৫.৫ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর করে মেহেদি হাসান মিরাজের দল।
জয়ের জন্য মাত্র ৮৫ রানের সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে টাইগার যুবারা দলীয় ১৯ রানে পিনাককে হারায়। এরপর করেন সাইফ ও জাকির। মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাবার আগে মিরাজদের সংগ্রহ ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৫২ রান। জয় থেকে তখন মাত্র ৩৩ রান দূরে ছিল টাইগার জুনিয়ররা। হাতে ছিল ৪০ ওভার ও ৯ উইকেট।
বিরতির পর উইকেটে এসে রান আউটের শিকার হন সাইফ। ১৭ রান করে আউট হন তিনি। এরপর দলীয় ৬৯ রানে ব্যক্তিগত ২৭ রানে জাকির ফেরেন মাতিগিমুর বলে। এরপর অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে বাকি কাজ সম্পন্ন করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ২০৫ বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌছে যান বাংলাদেশি যুবারা। ১৬তম ওভারের পঞ্চম বলকে সীমানা ছাড়া করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন নাজমুল।
মেহেদি হাসান মিরাজ ১ বলে ১ রান ও নাজমুল হোসেন শান্ত ২০ বলে ২১ রান করেন। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ম্যাচ জিতে যায় ৭ উইকেটে। সেইসঙ্গে সিরিজও।
এর আগে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সকালে টসে জিতে জিম্বাবুয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক ব্লেসিং মাভুটা ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন।
শুরুতেই জুনিয়র টাইগারদের আগ্রাসী বোলিংয়ে একের পর এক উইকেট পতন ঘটে অতিথিদের। শুরুটা করেন সায়েদ সরকার। শেষটা করেন আরিফুল ইসলাম। দলীয় ৯ রানে ওপেনার সন স্নেডার সায়েদের বলে পরিষ্কার বোল্ড আউট হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন কুন্ডাই মাটগিমু।
শুরুতেই উইকেট হারানোর পর একের পর এক উইকেটের পতনে দিশেহারা হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ের যুবারা। দলীয় ১২ রানে দ্বিতীয় উইকেট, ৩৬ রানে তৃতীয়, ৪৪ রানে চতুর্থ, ৬৬ রানে ৫ম, ৬৮ রানে ৬ষ্ঠ, ৭৮ রানে ৭ম, ৮০ রানে অষ্টম, ৮২ রানে নবম ও ৮৪ রানে ইনিংসের যবনিকা ঘটে সফরকারীদের।
জুনিয়র টাইগারদের পক্ষে আরিফুল ইসলাম একই নন ৪ উইকেট। সঞ্জিত সাহা নেন ২টি, আব্দুল হালিম, মেহেদি হাসান মিরাজ, সায়েদ সরকার ও সালেহ আহমেদ নেন ১টি করে উইকেট।
জিম্বাবুয়ের ইনিংসে সর্বোচ্চ ২২ রান আসে জেরোমি আইভিসের ব্যাট থেকে। এছাড়া উইলিয়াম মাসিংগে ১৭ ও রায়ান মুরে’র ১২ রানই বলার মত স্কোর জিম্বাবুয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে। অন্য সবার নামের পাশে মোবাইলের ডিজিট।

