স্পোর্টস ডেস্ক : জিম্বাবুয়ে সিরিজের আগে সর্বশেষ সাত ইনিংসেই দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি ইমরুল কায়েস। সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ৯। সাকিব আল হাসান যুক্তরাষ্ট্রে কন্যা সন্তানের মুখ দেখতে না গেলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দলে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল না ইমরুলের। তবে সাকিবের অনুপস্থিতিতে একাদশে সুযোগ পেয়েই দারুণভাবে কাজে লাগালেন এই বাঁ-হাতি ওপেনার।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সাকিবের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পেয়ে ৭৬ রানের নান্দনিক এক ইনিংস উপহার দেন ইমরুল কায়েস। ৮৯ বলের ইনিংসে ৬টি চারের সঙ্গে ৪টি বিশাল ছক্কা মারেন ইমরুল। দুর্দান্ত সেই ইনিংসটির জন্য ম্যাচ-সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার উঠে এই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানের হাতে।
দ্বিতীয় ম্যাচে খেলা ৭৬ রানের ইনিংসটি যে ‘ফ্লুক’ ছিল না পরের ম্যাচেই সেটি প্রমাণ করেন ইমরুল কায়েস। বুধবার শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী শটস খেলা ইমরুল দারুণ এক হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। গ্রায়েম ক্রেগারের করা ইনিংসের ২৩তম ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। হাফ সেঞ্চুরি করার পথে চারটি চারের সঙ্গে তিনটি বিশাল ছক্কা হাঁকান তিনি।
বুধবার মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে তামিম ইকবালকে নিয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নামেন ইমরুল কায়েস। এই দুজন বাংলাদেশকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন।

