ঢাকাSunday , 8 November 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঐতিহাসিক বৈঠকে চীনকে তাইওয়ান
পরস্পরের মূল্যবোধকে শ্রদ্ধা জানান

Link Copied!

CHIN-TAIWANআন্তর্জাতিক ডেস্ক : শনিবারের ঐতিহাসিক বৈঠকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট মা ইং-জিও চীনের নেতা শি জিনপিংকে বলেছেন, উভয় পক্ষকে পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো উচিত। ১৯৪৯ সালে গৃহযুদ্ধে আলাদা হওয়ার পর প্রথমবারের মত দুই দেশের নেতাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক বৈঠকে তিনি চীনা প্রেসিডেন্টকে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘উভয় পক্ষকে পরস্পরের মূল্যবোধ ও জীবনধারার প্রতি সম্মান দেখানো উচিত।’ অন্যদিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, উভয় পক্ষ ‘এক পরিবার’ এবং তাদেরকে আলাদা করা যাবে না।  তার ভাষায়, ‘কোনো শক্তি আমাদের আলাদা করতে পারবে না। আমরা এক পরিবার।’
শনিবার বেলা তিনটার দিকে সিঙ্গাপুরের  বিলাসবহুল হোটেলে শাংরি লা হোটেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এক ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক শুরু করার আগে পরস্পরের সঙ্গে হাত মেলান দুই নেতা। এ সময় তারা হাস্যোজ্জ্বল ছিলেন। এছাড়া সেখানে জড়ো হওয়া বিপুল সাংবাদিকদের উদ্দেশে তারা হাতও নাড়েন।
আগেই জানানো হয়েছিল, বৈঠকে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে না এবং কোনো ধরনের সংবাদ সম্মেলনেও অংশ নেবেন না দুই নেতা। দুই পক্ষই একে অপরের বৈধতার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে এখনও অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।
১৯৪৯ সালের গৃহযুদ্ধে পর দু দেশের নেতাদের মধ্যে এটিই প্রথম বৈঠক। ওই যুদ্ধের ফলে চীনের কাছ থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে যায় তাইওয়ান। এর আগে ১৯৪৫ সালে কমিউনিস্ট বিপ্লবের নেতা মাও সেতুং চীনের জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট চিয়াং কাই-শেকের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে তাদের আপোশ প্রচেষ্টা ভেস্তে যায়। এরপর কমিউনিস্টরা ক্ষমতা দখল করে নেয়। তখন চিয়াংপন্থি  প্রায় ২০ লাখ মানুষ  তাইওয়ানে পালিয়ে গিয়েছিল।
তবে প্রেসিডেন্ট মায়ের সাত বছরের শাসনামলে চীনের সঙ্গে তাইওয়ানের সম্পর্কের নাটকীয় উন্নতি হয়েছে যার প্রভাবেই শনিবারের এই বৈঠক। যদিও দেশটির বিরোধী দল এই গোপন বৈঠককে ‘চক্রান্ত’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে এ বৈঠক তাইওয়ানের পররাষ্ট্র নীতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে না।