স্পোর্টস ডেস্ক : বর্ষসেরা গোলের পুরস্কার ‘পুসকাস অ্যাওয়ার্ড’ এর দৌড়ে বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি জায়গা পেলেও তার প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জায়গা হয়নি। এই তালিকায় মেসির সঙ্গে তার জাতীয় দলের সতীর্থ কার্লোস তেভেজও জায়গা করে নেন। তবে ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার ১০ সদস্যের সংক্ষিপ্ত দলে জায়গা পাননি।
কোপা ডেল রে’র ফাইনালে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে করা অসাধারণ গোলটির জন্য লিওনেল মেসি পুসকাস অ্যাওয়ার্ডের তালিকায় জায়গা করে নেন। গত মাসে মাসে কোপা ডেল রে’র ফাইনালে একক নৈপূণ্যে গোলটি করেন মেসি।
অন্যদিকে মেসির জাতীয় দলের সতীর্থ কার্লোস তেভেজ গত মৌসুমে ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্টাসের হয়ে পার্মার বিপক্ষে অসাধারণ একটি গোলের সুবাদে তালিকায় জায়গা করে নেন। বর্তমান তিনি বোকা জুনিয়র্সের হয়ে খেলছেন।
গত ১২ মাসে হওয়া সেরা গোলগুলোর মধ্য হতে সর্বসেরা গোলটি গোলটিকে বেছে নেয়া হবে। আগামী ১১ জানুয়ারি ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ‘ব্যালন ডি’অর’ ঘোষণার দিন পুসকাস অ্যাওয়ার্ড জয়ীর নামও ঘোষণা করা হবে।
লিওনেল মেসি ও কার্লোস তেভেজ ছাড়া পুসকাস অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত অপর আটজন তারকা হলেন- ডেভিড বল (ফ্লিটউড টাউন), গঞ্জালো কাস্ত্রো (রিয়াল সোসিয়েদাদ, আলেসান্দ্র ফ্লোরেঞ্জি (এএস রোমা), উইন্ডেল লিরা ( গোয়ানেসিয়া), কার্লি লয়েড (ইউএসএ উমেন), ফিলিপ ম্যাক্সেস (এসি মিলান), মার্সেল এনজেং (এসসি পেডারবর্ন) ও ইস্তেবান রামিরেস (হেরেদিয়ানো)।
২০০৯ সাল থেকে পুসকাস অ্যাওয়ার্ড চালু হলেও এখনো একবার সেরা গোলদাতার পুরস্কারটি জেতা হয়নি লিওনেল মেসির। ২০০৯ সালে সর্বপ্রথম এটি জয় করেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। নেইমার ২০১১ সালে এবং জাতান ইব্রাহিমোভিচ ২০১৩ সালে এই অ্যাওয়ার্ডটি জয় করেন। সর্বশেষ গত মৌসুমে পুসকাস অ্যাওয়ার্ড জয় করেন কলম্বিয়ান মিডফিল্ডার হামেস রদ্রিগেজ। মাঝখানে ২০১০ সালে তুরস্কের হামিত আলতিনটপ এবং ২০১২ সালে স্লোভেনিয়ার মিরোস্লাভ স্টোচ এই অ্যাওয়ার্ড জয় করেন।
প্রসঙ্গত, হাঙ্গেরি ও রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার ফ্রেঞ্চ পুসকাসের স্মরণে ২০০৯ সালে পুসকাস অ্যাওয়ার্ডের প্রবর্তন করে ফিফা। প্রথমবার এ পুরস্কারটি জেতেন পর্তুগালের রিয়াল মাদ্রিদ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

