ঢাকাSunday , 1 November 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তারেকের ভাগ্যে কী আছে বলা যাচ্ছে না

Link Copied!

Kamrulনিজস্ব প্রতিবেদক : খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, আগামী জানুয়ারি –ফেব্রয়ারির মধ্যেই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হত্যা মামলার বিচারের রায় পাব। এ রায় হলে তারেকের ভাগ্যে কী আছে বলা যাচ্ছে না।
রোববার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) গোলটেবিল মিলনায়তনে ‘৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস– ইতিহাসের কলঙ্কময় দিন’ শীর্ষক বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক আলোচনাসভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘সাক্ষীরা আদালতে বলেছেন ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার আগে হামলাকারীরা দুইবার  হাওয়া ভবনে তারেক জিয়ার সাথে বৈঠক করেছেন। মামলার রায়ে তার ভাগ্যে কী হবে নিজেই হয়তো বলতে পারবেন না।’ জিয়া অরফানেজ মামলাও যেভাবে এগোচ্ছে তাতে খুব দ্রুত নিষ্পত্তি হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
কামরুল বলেন, ‘যারা একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, জেলে চার নেতা হত্যা করেছে, তারাই আবার ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলা করে জননেত্রীকে হত্যা করতে চেয়েছিল। তাই এ সব ঘটনাই এক ও অভিন্ন।’
সম্প্রতি দুজন বিদেশি নাগরিক হত্যা, তাজিয়া মিছিলে বোমা মেরে মানুষ হত্যা, গতকালের ব্লগার হত্যার ঘটনার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘দুজন শীর্ষ অপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকরের পথে। তাই এ ঘটনাগুলো ঘটানো হচ্ছে, যাতে  এ রায় কার্যকর না হয়।’
‘টিআইবি তাদের জরিপের মধ্য দিয়ে সংসদকে যা খুশি বলে দিলেন, অ্যামেনেস্টি তাদের লবিস্ট দ্বারা প্ররোচিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের বিচারের কথা বলতে হঠাৎ করে কেন এ সময়টাকে বেছে নিলেন, এসবের কারণও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করা,’ যোগ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘যে দেশ বিভিন্ন দেশে জঙ্গিবাদের জন্ম দিয়েছে , একাত্তরে আমাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, তারা এখন নতুন করে খেলা খেলতে চাইছে।’
জামায়াত –জঙ্গি একাকার হয়ে গেছে মন্তব্য করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গি কর্মকাণ্ডের  কারণে যারা এখন ধরা পড়ছে তারা আগে জামায়াত-শিবিরের কর্মী, সাথি, রোকন ছিল।’
অ্যাডভোকেট কামরুল প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আজকে কেন মুক্তচিন্তার মানুষকে প্রাণ দিতে হচ্ছে? এর আগে তো আরজ আলী, আহমদ শরীফকে প্রাণ দিতে হয়নি?’
তিনি বলেন, ‘ফখরুল ইসলাম আলমগীরও জাতীয় ঐক্য চান, তাই জামায়াত ইসলামকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সবাইকে এক হয়ে এই অশুভ শক্তির মোকাবিলা করতে হবে।’
সংগঠনের সভাপতি চিত্রনায়ক ফারুকের সভাপতিত্বে এ সময় আরো বক্তব্য দেন  আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সদস্য সুজিত রায় নন্দী,  মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, এম এ করিম,  চিত্রনায়িকা দিলারা, ড্যানি সিডাক প্রমুখ।