নিজস্ব প্রতিবেদক : জামায়াতের ওয়েবসাইটে পাওয়া তথ্যমতে, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আওয়ামী লীগ কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে বেশকিছু হতাহতের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় দায়ীদের বিচারের দাবিতে বুধবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে দলটি। এ উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্নস্থানে মিছিল চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, শাহআলী, মোহাম্মদপুর, আদাবর ও কাফরুলসহ বিভিন্ন এলাকায় মিছিল চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। এসব ঘটনায় অন্তত ২১ জনকে আটক করেছে পুলিশ, উদ্ধার করা হয়েছে বিস্ফোরকসহ জিহাদি বই।
বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে যাত্রাবাড়ী থেকে ৩ জন জামায়াত-শিবির কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন মোস্তফা কামাল, সাদ্দাম হোসেন ও তানভিরুল ইসলাম জুয়েল।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার মুনতাসিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জামায়াত-শিবির কর্মীরা যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়া মুরগির ফার্ম এলাকায় মিছিল বের করেছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। এ সময় মিছিল থেকে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ও ককটেল ছোঁড়া হলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এর আগে ভোর ৪টার দিকে মিরপুরের দক্ষিণ পীরেরবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পেট্রোল বোমা ও ককটেলসহ জামায়াত-শিবিরের ৮ নেতাকর্মীকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন মিরপুর থানার ওসি ভূঁইয়া মাহবুব হোসেন।
আটকরা হলেন ইদ্রিস খান (২৪), আরিফুর রহমান (২৩), সাজ্জাদুল আলম (২৫), আবুল কাশেম (৫৫), আনোয়ার হোসেন (৩২), নবীর উদ্দিন (৩৭), আবু সাঈদ (৪৫) ও মাহবুব হোসেন (২৮)।
আটককৃতদের কাছ থেকে বেশ কিছু পোস্টার, ধর্মীয় উস্কানিমূলক বই, পেট্রোল বোমা ও ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা ভূঁইয়া মাহবুব।
অন্যদিকে সকাল সোয়া ৯টার দিকে মিরপুরের শ্যাওড়াপাড়া এলাকাতেও মিছিলের চেষ্টা করে জামায়াত-শিবির কর্মীরা। পরে পুলিশ লাঠিপেটা করে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে ৪ জনকে আটক করে।
এছাড়া শাহআলী, মোহাম্মদপুর, আদাবর থেকে আরো ৬ জনকে আটক করা হয়।

