বান্দরবান প্রতিনিধি : রুমা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় যৌথবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি চলছে। এ সময় দুই সেনা সদস্য ও এক আনসার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
রোববার দুপুর ১২টা থেকে রুমা উপজেলার তাজিংডং-সেপ্রু পাড়ার দিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় গোলাগুলি শুরু হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রুমা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় অপহৃত পর্যটকদের উদ্ধারের অভিযান চালানোর সময় সন্ত্রাসীরা যৌথবাহিনীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় যৌথবাহিনীও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় দুই সেনা সদস্য ও এক আনসার সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। সন্ত্রাসীদের কেই হতাহত হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি।
খরব পেয়ে বান্দরবান সেনানীবাস থেকে গুলিবিদ্ধ সেনা ও আনসার সদস্যকে হেলিকপ্টারে নিয়ে এসে জেলা সদরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গোলাগুলি চলছে।
এ ব্যাপারে রুমা ১২ বেঙ্গলের স্টাফ কর্মকর্তা লে. রাফি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘রোববার দুপুর থেকে রুমা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যৌথবাহিনীর গোলাগুলি চলছে। আহত দুই্ সেনা সদস্য ও আনসার সদস্যকে দ্রুত এনে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে বান্দরবানের রুমা উপজেলার পর্যটন স্পট বগালেকের উদ্দেশ্যে ৫ পর্যটক গাইড নিয়ে বেড়াতে যান। বান্দরবানের রুমা উপজেলার কেউক্রাডং এর পাশে পাচিং পাড়ায় অবস্থানের পরে ৩ পর্যটক পাচিং পাড়ায় থেকে যান। বাকি ২পর্যটক জাকির হোসেন মুন্না (৩৪) এবং আব্দুল আল জুবায়ের (২৬) গাইডসহ পাচিং পাড়া থেকে রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখান থেকে তারা দু’জন স্থানীয় গাইডকে নিয়ে সেপ্রু পাড়া পুকুরপাড় হয়ে পাহাড়ী সড়ক দিয়ে রাঙ্গামাটি বিলাইছড়ির দিকে চলে যান। এ সময় রাস্তায় আর্মির আদলে পোষাক পরিহিত একদল উপজাতী স্বসস্ত্র বাহিনী গাইডসহ তাদের দুই জনকে চোখ বেধে একটি ঝিড়ি দিয়ে ভারতের মিজুরামের দিকে নিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত তাদের কোনো খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি।

