ঢাকাSunday , 11 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি করলেন ডি ভিলিয়ার্স

Link Copied!

Ab-De-Villiersস্পোর্টস ডেস্ক : শুরুটা বেশ ভালোভাবেই করেছিলেন হাশিম আমলা আর কুইন্টন ডি কক। প্রথম উইকেটে ৪৫, দ্বিতীয় উইকেটে ৫৯ রানের জুটি। দ্রুত রানও উঠছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। কিন্তু মাঝপথে গিয়ে কেন যেন খেই হারিয়ে বসে প্রোটিয়াদের ব্যাটিং। রান তোলার গতি মন্থর হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ভরসা ছিলেন একজন, এবি ডি ভিলিয়ার্স।
অন্য অনেক ম্যাচের মতই কানপুরের গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামে ঝড় তুললেন ডি ভিলিয়ার্স। ইনিংসের একেবারে শেষ দিকে এসে। সেই ঝড় মুহূর্তেই রূপ নেয় টর্নেডোয়। শেষ ৬ ওভারে ৮৬ রান তোলেন প্রোটিয়ারা। যার একপ্রান্তে নেতৃত্ব দেন ডি ভিলিয়ার্সই। ৫৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা ডি ভিলিয়ার্স সেঞ্চুরি পূরণ করেন মাত্র ৭৩ বল খেলে। অথ্যাৎ, পরবর্তী অর্ধশতক আসে তার মাত্র ১৯ বলে।
তবে, সেঞ্চুরিটাও হয়েছে ডি ভিলিয়ার্সের বেশ নাটকীয়ভাবে। ইনিংসের ৪৯তম ওভার শেষ হয়েছে যখন তখন দক্ষিণ আফ্রিকার রান ২৮২। ৩০০ পূরণ করতে হলে লাগবে আরও ১৮ রান। আর ডি ভিলিয়ার্সের সেঞ্চুরি পূরণ করতে লাগবে মাত্র ২ রান; কিন্তু শেষ ওভারের প্রথম থেকে স্ট্রাইকে ফারহান বেহার্ডিয়েন।
উমেষ যাদবকে পরপর তিনবল খেলে ফেলেন বেহার্ডিয়েন। দুটি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা। রান চলে আসে ১৪টি। ৩০০ ছুঁতে তখনও ৪ রান প্রয়োজন। এবার সম্ভবত খেয়াল হলো ফারহানের। এক রান নিয়ে তিনি স্ট্রাইক দিলেন ডি ভিলিয়ার্সকে। বল পেলেন দুটি। নিজের জন্য ২ এবং দলের জন্য রান লাগবে তিনটি।
এ অবস্থায় উমেষ যাদবের করা পঞ্চম বলটিতে ব্যাটই ছোঁয়াতে ব্যর্থ হলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। ইনিংসের বাকি আর এক বল। এ অবস্থায় অনেকেই স্নায়ুর চাপে ভুগতে থাকেন। ধৈয্য হারান। তবে ডি ভিলিয়ার্স ছিলেন অটল। উমেষ যাদবের করা শেষ বলটিকে লং অনের ওপর দিয়ে আছড়ে ফেললেন গ্যালারিতে। শুধু নিজের সেঞ্চুরিই নয়, দলকেও ডি ভিলিয়ার্স নিয়ে গেলেন ৩০০ প্লাস স্কোরে। ৭৩ বলে ১০৪ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে গেলেন ডি ভিলিয়ার্স। ৫টি চারের সঙ্গে ছক্কা মেরেছেন ৬টি।