আর্ন্তজাতিক ডেস্ক : গাজায় জেরুজালেমের পূর্বাঞ্চলীয় চেক পয়েন্টে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। গাজায় ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সপ্তাহজুড়েই মারাত্মক সহিংসতার ঘটনা ঘটে চলেছে। তবে সীমান্তে সংঘর্ষের ঘটনায় ছয় ফিলিস্তিনিকে হত্যার পর শুক্রবার গাজায় সহিংসতা আরো ছড়িয়ে পড়েছে। ওই অঞ্চলকে নিয়ন্ত্রণকারী হামাস গোষ্ঠী আরো সহিংসতার আহ্বান জানিয়েছে বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় ডিমোনা শহরে সন্দেহভাজন এক ইহুদির হামলায় চার ফিলিস্তিনি আহত হয়েছিল। ওই সংঘাত ইসরায়েল এবং পশ্চিম তীরেও ছড়িয়ে পড়েছে।
শুক্রবার ইসরায়েল এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিরা তিনটি হামলা চালিয়েছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী গাজা থেকে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে শনিবার সকালে একটি রকেট হামলা চালানো হয়েছিল। তবে এতে কোন ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে শনিবার সকালে জেরুজালেমের পূর্বাঞ্চলে শুয়াফাত চেকপয়েন্টে ইসরায়েলি সেনার গুলিতে এক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।এছাড়া গাজার পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ছয় ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো বহু মানুষ।
দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরের আল-ফারেহীন গ্রামে অন্য এক বিক্ষোভের সময় ১৫ বছরের এক কিশোর নিহত হয়েছে। সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে।
তবে ইসরায়েলি বাহিনী অভিযোগ করছে যে, সীমান্তে একাধিক সহিংসতার প্রচেষ্টা করা হয়েছে। প্রায় ১ হাজার দাঙ্গাকারী বাফার জোনে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছিল। তারা সৈন্যদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড এবং জলন্ত টায়ার ছুড়ে মেরেছিল।
আল জাজিরার এক রিপোর্টার ওই সংঘাতের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন এখানে খুব বিপজ্জনক অবস্থা বিরাজ করছে। সীমান্তে তারা সব সময়ই গোলাগুলি করে তবে আজ অন্য দিনের তুলনায় বেশি খারাপ অবস্থা রয়েছে।’
গাজায় ‘নতুন করে হত্যাকাণ্ড’ ঘটানো হচ্ছে বলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু এবং তার সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের মহাসচিব সায়েব ইরাকাত ।

