বিনোদন ডেস্ক : সম্প্রতি মেয়াদ উত্তীর্ণ ও নকল লেন্স ব্যবহার করার ফলে অভিনেত্রী প্রিয়া আমানের চোখের কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর পর থেকে তিনি আর চোখে দেখতে পারছিলেন না। তবে চিকিৎসক চোখে ‘ড্রেসিং’ করার পর তিনি অল্প অল্প দেখতে পারছেন বলে জানান প্রিয়া আমান।
তিনি বলেন, ‘আমার চোখে প্রতিদিনই ড্রেসিং করানো হচ্ছে। আমার মনে হচ্ছে ধীরে ধীরে আমি চোখে ভালো দেখতে শুরু করেছি। আগে আমার দৃষ্টি ঝাপসা ছিল। সে তুলনায় আজ সকালের পর থেকে আগের চেয়ে ভালো দেখছি।’
তিনি জানান, আরো দুদিন তার চোখে ড্রেসিং করাতে হবে। এর পরে ডাক্তারি পরীক্ষানিরীক্ষার মাধ্যমে বলা সম্ভব হতে তার চোখ পুরোপুরি ভালো হবে কিনা।
প্রিয়া আরো বলেন, ‘দর্শকদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ্। তাদের দোয়ায় আল্লাহ রহমতে আজ আমি চোখে কিছুটা দেখতে পারছি। আশা করছি, কিছু দিনের মধ্যে আবার শুটিংয়ে ফিরতে পারব।’
গত ৩০ সেপ্টেম্বর কারওয়ান বাজারের ইউটিসি ভবনের এক শুটিং হাউজে ইয়েস ম্যাডাম নো স্যার শিরোনামের একটি ধারাবাহিক নাটকের শুটিংয়ে অংশ নেন তিনি। নাটকটির একটি চরিত্রের প্রয়োজনে তিনি চোখে আলগা লেন্স ব্যবহার করেন। শুটিং শেষে লেন্স খুলে ফেলার পরপরই তিনি চোখে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন এবং চোখে কিছুই দেখতে পারছিলেন না।
সে সময় প্রিয়ার চিৎকারে রাস্তায় দাঁড়ানো পুলিশ এগিয়ে আসে। চোখে ব্যথার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, সেখানেই জ্ঞান হারান। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিলে যান। সেখান থেকে তাকে একটি চক্ষু হাসপাতালে নেওয়া হয়। চোখের চিকিৎসকরা চিকিৎসা দেওয়া শেষে তাকে জানান, দুটি চোখের কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চিকিৎসকরা তখন জানান, যে লেন্সটি চোখে পরেছিলেন, সেটি ছিল মেয়াদ উত্তীর্ণ। এ কারণে লেন্সের রং চোখের ভেতরে ছড়িয়ে পড়লে তার কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

