ঢাকাMonday , 5 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মুলার-লেওয়ানডস্কিতে উড়ে গেল বরুশিয়া

Link Copied!

mularস্পোর্টস ডেস্ক : জার্মান ক্ল্যাসিকো রূপ পেয়ে গিয়েছে এই দুই দলের লড়াই। বিশেষ করে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের উত্থানটা বেশ চোখে পড়ার মত। গত বেশ কয়েক মৌসুম থেকেই বেশ চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে প্রতিপক্ষ জায়ান্টদের। ২০১০-১১ এবং ২০১১-১২ মৌসুমে টানা দু’বার শিরোপাও জিতেছে তারা। সেই বরুশিয়ার মুখোমুখি যখন বায়ার্ন মিউনিখ, তখন সেই ম্যাচকে জার্মান ক্ল্যাসিকো না বলেও উপায় নেই।
তো, এমনতরো ক্ল্যাসিক ম্যাচটাই কি না হয়ে পড়লো পুরোপুরি একপেশে। একপেশে করে তুললেন মূলতঃ দু’জন। টমাস মুলার এবং বরুশিয়ারই সাবেক স্ট্রাইকার রবার্ট লেওয়ানডস্কি। দু’জনই করেছেন জোড়া গোল। তাতেই প্রতিদ্বন্দ্বীদেরকে ৫ গোলের মালা পরিয়েছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। বিপরীতে হজম করেছে মাত্র ১ গোল। অথ্যাৎ বরুশিয়ার বিপক্ষে বায়ার্নের জয়ের ব্যবধান ৫-১।
মৌসুমের মাত্রই শুরু হলো বলা যায়। শেষ হয়েছে অষ্টম পর্বের খেলা। তাতেই দ্বিতীয়স্থানে থাকা বরুশিয়ার চেয়ে ৭ পয়েন্ট এগিয়ে গেল বায়ার্ন মিউনিখ। ৮ ম্যাচ শেষে বায়ার্নের পয়েন্ট ২৪। আর বরুশিয়ার পয়েন্ট মাত্র ১৭।
আলিয়াঞ্জ এরিনায় প্রায় ৭৫ হাজার দর্শকের আগমণ ঘটে জার্মান ক্ল্যাসিকো ম্যাচটি দেখার জন্য। পুরো মাঠই যেন লাল হয়ে গিয়েছিল। ভাবারিয়ানদের জাতীয় রং। সেই লাল সমূদ্রেই খেলার ২৬ মিনিটে গোলের সূচনা করেন টমাস মুলার। জেরোমো বোয়েটাংয়ের কাছ থেবে বল পেয়ে বাম পায়ের শটে বরুশিয়ার জালে বল জড়ান মুলার।
৯ মিনিট পর আবারও গোল। এবারও গোলদাতা সেই মুলার। ৩৫ মিনিটে ডি বক্সের মধ্যে ফাউল করে বসেন বরুশিয়ার ডিফেন্ডার হেনরিক খিতারিয়ান। ফলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিক নিতে আসেন টমাস মুলার এবং সহজেই কিকটি জড়িয়ে দেন বরুশিয়ার জালে।
এক মিনিট পর আবরও গোল। এবার গোলদাতা বরুশিয়া। অথ্যাৎ, একটি গোল শোধ করে দিল বায়ার্নের প্রতিপক্ষরা। পিয়েরে-এমেরিক অবামেয়াঙ বাম পায়ের শটে বল জড়ান বায়ার্নের জালে। বরুশিয়ার হয়ে ওটাই একমাত্র স্বান্তনাসূচক গোল। ২-১ ব্যবধান নিয়ে শেষ পর্যন্ত বিরতিতে যায় বায়ার্ন মিউনিখ এবং বরুশিয়া ডর্টমুন্ড।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে না হতেই গোল। এবার গোলদাতা রবার্ট লেওয়ানডস্কি। গত কয়েকম্যাচ ধরে যেভাবে গোল মেশিনে পরিণত হয়েছেন পোলিশ এই স্ট্রাইকার, তাতে করে এই ম্যাচে তার গোল না পাওয়াটা হতো অবাক করার বিষয়ই। সেই অবাককরা ব্যাপারটি কাটাতেই হয়তো গোল করে বসলেন সাবেক ক্লাবের বিপক্ষেই।
৪৬ মিনিটে জেরোমে বোয়েটাংয়ের কাছ থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের শটে বরুশিয়ার জালে বল জড়ান লেওয়ানডস্কি। ৫৮ মিনিটে গোলের ব্যবধান ৪-১ করেন সেই লেওয়ানডস্কিই। মারিও গোৎসের কাছ থেকে বল পেয়ে বাম পায়ের শটে বরুশিয়ার জালে বল জড়ার ‘লণ্ডভণ্ডস্কি’।
৬৬ মিনিটে এসে বায়ার্নের হয়ে জয়ের ষোলকলা পূর্ণ করেন মারিও গোৎসে। থিয়াগো আলকানতারার পাস থেকে বল পেয়ে গোল করেন গোৎসে। এরপর খেলার বাকি ছিল আরও ২৪ মিনিট। বরুশিয়া বেশ চেষ্টা করেছিল ব্যবধান কমানোর। কিন্তু বায়ার্নের কঠিন ডিফেন্সের সামনে এসে তাদের সব চেষ্টাই ব্যর্থতায় পর্যবশিত হয়ে যায়।