চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের গেজেটেড কর্মকর্তার পদমর্যাদা বাস্তবায়ন ও প্রবেশ পদে জাতীয় বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডে অন্তর্ভূক্তিসহ ৫ দফা বাস্তবায়নে তিন ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করছে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি।
সোমবার সকাল ১০ টা থেকে এই কর্মবিরতির শুরু হয়েছে। চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলো সংগঠনটি।
বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি চট্টগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক কাইছারুল আলম বলেন, ‘আজ থেকে ৫ দফা দাবিতে তিন ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে চট্টগ্রামের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা তাদের সকল প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত রয়েছেন।’
কাইছারুল আলম আরো বলেন, ‘দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ১০ অক্টোবর প্রধান শিক্ষকের চেয়ার কালো কাপড়ে ঢেকে দেয়ার মাধ্যমে চেয়ারবর্জন কর্মসূচি চলবে, ৩ অক্টোবর থেকে ৫ অক্টোবর সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টার কর্মবিরতি ও ৬ অক্টোবর থেকে লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে। দাবি আদায় না হলে নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার দায়িত্ব বর্জনের মত কঠোর কর্মসূচি আসতে পারে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি নুরুল হুদা বলেন,‘২০১৪ সালের ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদেরকে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী পদমর্যাদা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে উন্নীত করার ঘোষণা দেন। এতে প্রধান শিক্ষকরা দ্বিতীয় শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তার পদমর্যাদা পান। কিন্তু এক বছর পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদাপ্রাপ্ত অন্যান্য সরকারি কমকর্তাদের মত বেতন কাঠামো দেয়া হয়নি। এক্ষেত্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।’

