নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমানে দেশে খোলা স্থানে মলত্যাগ করে মাত্র ১ শতাংশ মানুষ। ১৯৯০ সালে এ হার ছিল ৩৪ শতাংশ। সরকার, সুশীল সমাজ ও দেশের সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগের ফলে খোলা স্থানে মলত্যাগ প্রায় বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আব্দুল মালেক।
শনিবার রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত ‘জার্নি টু জিরো’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক স্যানিটেশন সম্মেলন-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সচিব এ তথ্য জানান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও খোলা স্থানে মলত্যাগ হ্রাসে বাংলাদেশ তাৎপর্যপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে। তবে এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
এসময় সরকারের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, গবেষক ও শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া গবেষক সুজান হানচেট ও শফিউল আজম আহমেদ বাংলাদেশে খোলা স্থানে মলত্যাগ দূরীকরণবিষয়ক উপস্থাপনায় এ অর্জনের ক্ষেত্রে সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও কমিউনিটি লেড টোটাল স্যানিটেশন (সিএলটিএস) আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টি তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ এডওয়ার্ড বেগবেডার, জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন এবং জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রকৌশলী ও স্যানিটেশন সচিবালয়ের সদস্য সচিব প্রকৌশলী ওয়ালিউল্লাহ। সংশ্লিষ্ট খাতে যারা কাজ করেন ও নীতিনির্ধারকদের জন্য আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আয়োজনটি সহায়ক হবে বলে উল্লেখ করে এই সম্মেলনকে স্বাগত জানান বক্তারা। অনুষ্ঠানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে ঔদাসিন্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয় এবং বিভিন্ন সেশনে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
রোববার পর্যন্ত সম্মেলনটি চলবে। দু’দিন ব্যাপী এ সম্মেলনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মোট ৮টি টেকনিক্যাল সেশন-এ এবং ২২টি গবেষণা পরিবেশনার মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রজন্মের স্যানিটেশন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

