ঢাকাSaturday , 3 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৩১ বছর পর ‘মৃত’ পেট্রা জীবিত

Link Copied!

patraআন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রায় তিন দশকের বেশি সময় ধরে নিখোঁজ ছিলেন জার্মানির পেট্রা পাজসিটকা নামের এক নারী। ২৪ বছর বয়সে নিখোঁজ হয়েছিলেন তিনি। এখন তার বয়স ৫৫ বছর। দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে পরিবার এবং কাছের মানুষদের কাছে তিনি ছিলেন মৃত। এত বছর ধরে কোনো খোঁজ খবর না পাওয়ায় সবাই ধরেই নিয়েছিল যে পেট্রা আর বেঁচে নেই। কম্পিউটার সাইন্সের ছাত্র ছিলেন পেট্রা। ধূসর নীল রংয়ের জ্যাকেট পড়া একটি ছবি পুলিশের কাছে দিয়ে নিখোঁজ পেট্রাকে খোঁজার জন্য অনুনয় করেছিলেন তার বাবা-মা। পুলিশের ধারণা ওই ছবিটাই পেট্রার তোলা শেষ ছবি।
জার্মানির ব্রাউনসওয়েইগ ইউনিভার্সিটির ছাত্র হোস্টেলে থাকতেন তিনি। সেখান থেকেই ১৯৮৪ সালের ২৬ জুলাই তিনি নিখোঁজ হন। তবে তার মৃতদেহ খুঁজে পায়নি পুলিশ। গোয়েন্দা সদস্যরা ধারণা করেছিলেন তাকে হয়ত ধর্ষণ করার পর মেরে ফেলা হয়েছিল। এ কারণে ১৯৮৯ সালে জার্মান সরকার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
কিন্তু গত সপ্তাহে বিল্ড নিউজপেপার পেট্রার একটি নতুন ছবি ছাপানোর পরেই বিপত্তি বাঁধে। ডয়েসেলডরফের রাস্তায় সপিং ব্যাগ হাতে কালো জ্যাকেট পরা ৫৫ বছর বয়সী এক নারীর ছবি প্রকাশ করেছিল পত্রিকাটি। তবে ছবিতে নারীটির মুখের বেশির ভাগ অংশেই স্কার্ফ দিয়ে ঢাকা ছিল। পরে পেট্রার পরিবার ও তার প্রতিবেশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার আইডি কার্ড এবং বেশ কিছু ছবি দেখে পুলিশ আশ্বস্ত হয় যে ইনিই পেট্রা। তবে পেট্রার দুটি ছবির মধ্যে ব্যবধান হচ্ছে ৩১ বছর আর কিছুই নয়।
অবশেষে পুলিশ জানিয়েছে, তিনি নিজের ইচ্ছাতেই বাড়ি থেকে চলে গিয়েছিলেন। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। তবে ঠিক কি কারণে তিনি ঘর ছেড়ে একা ৩১ বছর ধরে বিসন্ন জীবন যাপন করছেন তা এখনও জানা যায়নি। তবে জার্মান পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। খুব শীঘ্রই সব কিছু পরিস্কার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিখোঁজ হওয়ার পর তিনি জার্মানির বিভিন্ন জায়গায় বাস করেছেন। এমনকি তিনি তার নামও পরিবর্তন করেছিলেন। তিনি তার নতুন নাম দিয়েছিলেন পেট্রা স্খেনেইদার। তার পাসপোর্ট, আইডি কার্ড, ব্যাংক একাউন্ট, চিকিৎসক, দাঁতের ডাক্তার, ইনস্যুরেন্স এগুলোর কোনো কিছুই ছিল না। তিনি তার পরিবার, প্রতিবেশি, আত্মীয়, বন্ধু কারো সঙ্গেই কোনো যোগাযোগ রাখতে চাননি।