ঢাকাTuesday , 22 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিলেটে দেশি গরুর প্রাধান্য বেশি, বসছে অবৈধ হাট

Link Copied!

kurbaniসিলেট প্রতিনিধি : ঈদ উল আযহার বাকি আর মাত্র তিন দিন। অথচ এখনও বেচাকেনা জমে উঠেনি সিলেটের সর্ববৃহৎ পশুর হাট কাজিরবাজারে। বাজারে পশুর সংখ্যা তুলনামুলক কম। দেশি গরুকে প্রাধান্য দিয়ে কাজিরবাজারের গরু ব্যবসায়ীরা এবার ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে চান। ভারতীয় গরু এখনও বাজারে আসেনি। তবে তুলনামুলকভাবে গরুর দাম এবার বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। শেষ বেলায় গরুর বাজার জমে উঠবে বলেও ধারণা বেপারীদের।
নগরীর সবচেয়ে বড় পশুর হাট কাজিরবাজার ঘুরে দেখা যায়, বেচাকেনায় অনেকটা মন্দাভাব। শহরতলী থেকে আসা গরুর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গরু নিয়ে এসেছেন বেপারীরা। নগরীর একমাত্র পশুর হাট কাজিরবাজারে কোরবানির ঈদ এলেই ব্যস্ততা বেড়ে যায়। বাজারের সংস্কার কাজ করা হয়। বাড়ানো হয় তহশিল সংখ্যা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কর্তৃপক্ষ তহশিল সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়েছেন। বাড়ানো হয়েছে বাজারের জনবল। সব ধরনের প্রস্তুতি শেষে এবার জমজমাট বেচাকেনার অপেক্ষায় রয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
কাজিরবাজার হাটের ম্যানেজার লোলন মিয়া জানান, এখনও বিকিকিনি জমজমাট হয়নি। তবে সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বেচাকেনাও জমে উঠবে। বাজারের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি নিজস্ব জনবল দায়িত্ব পালন করছে। তবে নগরীতে যাতে অবৈধ পশুর হাট না বসে সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি। ‘নগরীতে অবৈধ পশুর হাট বসতে দেয়া হবে না’- সিটি কর্পোরেশনের এমন ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে লোলন বলেন, এতে করে ঐতিহ্যবাহী এই পশুর হাটে গরুর ক্রেতা বিক্রেতাদের সমাগম ঘটবে। ক্রেতারা ঠকবেন না। ন্যায্যমূল্যে ভালো পশু কিনতে পারবেন।
কাজির বাজার পশুর হাটে বেপারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবার দেশি গরুর প্রতি ক্রেতাদের চাহিদা বেশি। সেটা মাথায় রেখেই দেশি গরু আমদানী করা হচ্ছে। মূল্য বেশি হলেও দেশি গরু কিনতে ক্রেতাদের আগ্রহ রয়েছে। বেপারী আব্দুল আলী বলেন, এখনও গরু বিকিকিনি পুরোদমে জমে উঠেনি। তবে দু’এক দিনের মধ্যেই বেচাকেনা জমে উঠবে বলে তাদের ধারণা। এদিকে কেউ কেউ ঝামেলা এড়াতে আগেভাগেই পশু কিনে ফেলছেন। শহরতলীর খাদিমপাড়া থেকে আসা সমুজ আলী জানান, ঈদ ঘনিয়ে আসলে বাজারে ভিড় বেশি হয়। দামও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সে কারণে আগেভাগেই গরু কেনার কাজ শেষ করতে চাই।
সিলেটে কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় আড়াই লাখ। এই চাহিদার বেশির ভাগ পশু কাজিরবাজারেই বেচা-কেনা হয়। এছাড়া শহরতলীর বিভিন্ন হাটবাজার এবং নগরীতে অস্থায়ীভাবে বসা হাটেও পশু বিক্রি হয়ে থাকে। তবে ইতোমধ্যে সিসিকের ওই ঘোষণাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নগরীর বিভিন্ন স্থানে পশুর হাট বসিয়ে মাইকিং করেছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনেকেই নগরীতে পশুর অবৈধ হাট বসাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাহী ঈদগাহ, সদর উপজেলা মাঠ, কয়েদিও মাঠ, এমসি কলেজের মাঠসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে পশুর হাট বসানো হয়েছে। এসকল অবৈধ পশুর হাট সম্পর্কে জানতে চাইলে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব বলেন, নগরীর কোথাও অবৈধ পশুর হাট বসতে দেয়া হবে না। কেউ বসালে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়া হবে।