ঢাকাTuesday , 22 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি

Link Copied!

তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্ট

তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্ট

নীলফামারী প্রতিনিধি : ভারী বর্ষণ ও  উজান থেকে ধেয়ে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীতে বন্যা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ফলে বিভিন্ন চর ও গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন রোডের বন্যা পুর্বাভাস ও সর্তকীকরণ কেন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায় তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার তিস্তাপারের নিম্নাঞ্চল ও চরের ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানায়, আশ্বিন মাসের সৃষ্ট বন্যা এলাকাবাসীকে নানান দুর্ভোগে ফেলেছে। এ ছাড়া ফসলের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষ করে সবজি চাষে বড়ই সমস্যার সৃষ্টি করেছে। ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চরখড়িবাড়ি এলাকার গত বন্যায় বিধ্বস্থ ক্রসবাঁধ দিয়ে পানি হুহু করে গ্রামে প্রবেশ করে প্রায় আট শত পরিবারের ঘরবাড়ি কোমর পানিতে তলিয়ে দিয়েছে।
এ ছাড়া নদীর ভাঙনে কবলে পড়ে  মঙ্গলবার সকাল থেকে এক ও দুই নম্বর ওয়াডের ৩২ টি পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে অন্যত্র সরে যাচ্ছে বলে ওই দুই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য যথাক্রমে সাইদুল ইসলাম ও গোলাম রব্বানী মুঠোফোনে জানায়।
তারা বলেন, এর আগের বন্যা ও নদী ভাঙনে আরো ৪১ পরিবারের ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন জানান, ওই এলাকায় তিস্তার বন্যার পাশাপাশি নদী ভাঙনে মানুষজনের ভিটা যেমন বিলিন হচ্ছে, তেমনি সেখানকার সীমান্তের চরখড়িবাড়ি বিজিবি ক্যাম্পটি নদী ভাঙনে হুমকীর মুখে পড়েছে। ওই ক্যাম্পের ভেতর দিয়েও তিস্তার  বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই-খগাখড়িবাড়ি-গয়াবাড়ি-খালিশাচাঁপানী-ঝুনাগাছ চাঁপানী-জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি-গোলমুন্ডা-শৌলমারী ও কৈমারী এলাকার জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছে, উজানের ঢলে তিস্তার বন্যায় তাদের এলাকার নদী বেষ্টিত প্রায় দশ হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। মানুষজন চরম দুর্ভোগের মুখে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, উজান থেকে ধেয়ে আসা পানির চাপ সামলাতে তিস্তা ব্যারেজের সবগুলো গেট খুলে রাখা হয়েছে।