নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষকদের আন্দোলন চলা অবস্থাতেই এবার আন্দোলনে নামলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। বুধবার উপ-রেজিস্ট্রার বা সমমানের কর্মকর্তাদের ৪নং গ্রেড ও সহকারী রেজিস্ট্রার বা সমমানের কর্মকর্তাদের ৬নং গ্রেডের মূল স্কেল জাতীয় পে-স্কেল ২০১৫ তে অন্তর্ভূক্ত করাসহ ৬ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মতো কর্মকর্তাদের অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ৬৫ বছরে উন্নীত করারও দাবি জানান তারা।
বুধবার সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশন এ মানববন্ধন করে।
মানববন্ধনে ফেডারেশনের সভাপতি সৈয়দ আলী আকবরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. রমিজ উদ্দিনের সঞ্চালনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
এসময় বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষকসহ সব শ্রেণীর কর্মকর্তা/কর্মচারীদের অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ৬০ বছর ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্ডার ১৯৭৩ এর ১০ম স্ট্যাটিউটস এর ১৯ নং ধারা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসর গ্রহণের বয়সসীমা একই রকম ছিল। কিন্তু এখন সে অর্ডার বাস্তবায়নে বৈষম্য দেখা দিয়েছে।
কর্মকর্তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো- বিগত বছরগুলোর মতো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কর্মরত সব শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অভিন্ন বেতন কাঠামো (জাতীয় পে-স্কেল) ঘোষণা করতে হবে। অফিসারদের কয়েকটি পদে বেতন স্কেল সংশোধন করতঃ বর্তমান বেতন স্কেলের বৈষম্য যেমন উপ-রেজিস্ট্রার/সমমানের পদে এবং সহকারী রেজিস্ট্রার/সমমানের পদের বেতন বৈষম্য দূর করতে হবে। সিনেট, সিন্ডিকেট, ফাইনান্স কমিটি, একাডেমিক কাউন্সিলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অথোরিটিতে অফিসারদের প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা করতে হবে। সর্বশেষ দাবিটি হলো- অতিরিক্তি রেজিস্ট্রার/সমমানের পদ সৃষ্টিসহ উক্তপদে নিয়োগ/পদোন্নয়নের ব্যবস্থা করতে হবে।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যামান টাইম স্কেল/সিলেকশন গ্রেড বহাল রাখার জোর দাবি জানান কর্মকর্তারা।

