স্পোর্টস ডেস্ক : টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডে স্পেশালিষ্ট হিসেবেই তার পরিচিতিটা বেশি। ক্রিকেটের এই দুই ফরম্যাটেই জাতীয় দলে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করেছেন। তবে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলেও স্থায়ী হতে চান অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
আগামী অক্টোবরে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ঘোষিত ১৫ সদস্যের দলে ডাক পেয়েছেন ম্যাক্সওয়েল। ২০১৩ সালে ম্যাক্সওয়েলের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল ভারতের বিপক্ষে। ভারতীয়দের বিপক্ষে দুই টেস্ট খেলার পর গত বছর আরব আমিরাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্ট খেলেছিলেন তিনি।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ওই ম্যাচের পর অসিদের টেস্ট দলে আর জায়গা হয়নি ম্যাক্সওয়েলের। কারণ ওই তিন টেস্টে ব্যাট হাতে নিজেকে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। তিন টেস্টের ছয় ইনিংস মিলে তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৮০ রান। অবশ্য চার ইনিংসে হাত ঘুরিয়ে ৭টি উইকেট নিয়েছিলেন।
এ মৌসুমে ইংল্যান্ডের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ইয়র্কশায়ারের হয়ে চারটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন ম্যাক্সওয়েল। দুই ইনিংসে ‘ডাক’ মারলেও বাকি ইনিংসগুলোতে বেশ ভালোই রান পেয়েছেন। একটি ১৪০ রানের ইনিংসও খেলেন। সাত ইনিংসে ব্যাটিং গড় ৪০.৬৬। তবে ব্যাটিংয়ের সঙ্গে তার স্পিন বোলিংয়ের সুবিধা কাজে লাগাতেই বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট দলে রেখেছে অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকরা। ম্যাক্সওয়েল নিজেও সুযোগটা কাজে লাগাতে চান।
দীর্ঘদিন পর টেস্ট দলে ডাক পাওয়ায় বেশ উত্তেজিতই ম্যাক্সওয়েল, ‘দলে ডাক পেয়ে অবশ্যই আমি বেশ উত্তেজিত। এই অগ্রগতির জন্য দীর্ঘদিন কাজ করেছি আমি। বিগত কয়েক মাস কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে খেলেছি এবং লাল বলের ক্রিকেটেও আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করি আমি কিছু ম্যাচে (বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট) সুযোগ পাব এবং দলের সঙ্গে থাকব।’
টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডের মতো টেস্টেও নিজের ব্যাটিং ঝলক দেখাতে চান ম্যাক্সওয়েল। সেই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে স্থায়ী হতে চান, ‘আমি তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই খেলতে চাই। ওয়ানডেতে বলকে বেশ ভালোই পেটাতে পারি আমি। তবে টেস্টেও এটা ধরে রাখতে চাই। আশা করি, দীর্ঘদিন টেস্ট দলেও থাকতে পারব।’

