ঢাকাSunday , 13 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

১০ সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করল দুদক

Link Copied!

Dudokনিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি বিভিন্ন বিভাগ ও দফতরের দুর্নীতি তদন্তে গঠিত ১১টি প্রাতিষ্ঠানিক টিম বিলুপ্ত করে ১০ সদস্যের টাস্কফোর্স (প্রাতিষ্ঠানিক টিম) গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
কমিশনের নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত অনুসারে পৃথক দুটি টিমে (টিম-এ ও টিম-বি) মোট ১০ কর্মকর্তাকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রোববার কমিশন থেকে এ বিষয়ে আনু্ষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বলে দুদকের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
টাস্কফোর্সের টিম-এর নেতৃত্ব দেবেন দুদকের উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল ইসলাম। টিমের অন্যান্য সদস্যরা হলেন এস এম রফিকুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক শেখ আবদুস ছালাম, দেবব্রত মণ্ডল ও উপসহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান।
অন্যদিকে টিম-বির নেতৃত্ব দেবেন দুদকের জ্যেষ্ঠ উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী। টিমের অন্য সদস্যরা হলেন মো. মঞ্জুর মোর্শেদ, সহকারী পরিচালক সৈয়দ আহমেদ, মো. মাসুদুর রহমান ও উপসহকারী পরিচালক রাফী মো. নাজমুস সাদাৎ।
এর আগে টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান জানিয়েছিলেন, ১০ সদস্যদের ওই টাস্কফোর্সে কারো কাজই নির্দিষ্ট করা থাকবে না।
তাৎক্ষণিকভাবে কোনো দুর্নীতিসংক্রান্ত ঘটনা খতিয়ে দেখতে কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী টাস্কফোর্স সদস্যরা কাজ করবেন। সরাসরি কমিশনের আওতায় একজন মহাপরিচালক টাস্কফোর্সের নেতৃত্ব দেবেন। আর কমিশন সরাসরি তাদের কাজ তদারক করবে। একই সঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠানের ঝটিকা অভিযান চালানোর ক্ষমতাও থাকবে এই টাস্কফোর্সের।
প্রাতিষ্ঠানিক টিমগুলো কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে বদিউজ্জামান বলেন, ‘দুদকের প্রাতিষ্ঠানিক টিমগুলো থেকে যথেষ্ট সাফল্য পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই আমরা এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ১১টি বিভাগ ও সেবা খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতি অনুসন্ধানের জন্য ২০১২ সালে প্রাতিষ্ঠানিক টিম গঠন করা হয়।
রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি দমনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি), সড়ক ও জনপথ (সওজ), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), আবাসন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)- এসব বিভাগ ও দফতরের অনিয়ম ও দুর্নীতি অনুসন্ধানের কাজ শুরু করে দুদকের ১১টি প্রাতিষ্ঠানিক টিম। এ ছাড়া ২০১৪ সালে সর্বশেষ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি অনুসন্ধানে আরো একটি টিম গঠন করা হয়। চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের প্রাতিষ্ঠানিক কাজ সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এই ১১টি প্রাতিষ্ঠানিক টিমের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির নানা অভিযোগ ছিল। এর ওপর নানা জটিলতায় প্রাতিষ্ঠানিক টিমগুলোর গতিশীলতা নষ্ট হয়। এ ছাড়া এনবিআর, রাজউক, ডিসিসিসহ বেশ কয়েকটি প্রাতিষ্ঠানিক টিমের অধিকাংশ কর্মকর্তা ঢাকার বাইরে বদলি হওয়ায় টিমগুলো কার্যত অকার্যকর। দফায় দফায় টিম পুনর্গঠন করেও তাদের অনুসন্ধান ও তদন্তের কাজে গতি আনা যায়নি। এর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানিক টিম নিয়ে কমিশনের অনিয়মিত বৈঠক, অভিযুক্তর সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক টিমের সদস্যদের যোগসাজশ, টিম সদস্যদের বিরুদ্ধে ভয়ভীতির হুমকি, কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা কারণে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এসব কারণে দুদক থেকে এই বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।