নিজস্ব প্রতিবেদক : সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরীকে সুপ্রিমকোর্ট বারের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হবে কি না এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছেন সুপ্রিমকোর্টের বিএনপি ও আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা।
এর আগে বেলা সোয়া ১টায় বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হবে কি না, সে ব্যাপারে সুপ্রিমকোর্ট বারের উদ্যোগে এক সাধারণ সভার আয়োজন করা হয় বারের দক্ষিণ হলে।
ওই সভায় এই বিচারপতিকে সংবর্ধনা না দেয়ার রেজুলেশন পাস করার সময় আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা দ্বিমত পোষণ করেন ও সভার ব্যানার ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় সভায় সভাপতিত্ব করছিলেন বারের সিনিয়র সহসভাপতি মোক্তার কবির। উপস্থিত ছিলেন সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বারের নির্বাহী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মির্জা আল মাহমুদসহ বিএনপি ও আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা।
সভা শেষ হতে না হতেই রোববার দুপুরে বিদায় সংবর্ধনা নিয়ে মিছিল বের করে বিএনপি ও আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা। বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা বারের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে বারের সভাপতির রুমের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম তালুকদার রাজা, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা প্রমুখ।
মিছিলে অংশ নেন বিএনপিপন্থি আইনজীবী ও সুপ্রিমকোর্টে বারের সাবেক নির্বাহী সদস্য আইয়ুব আলী আশরাফী, মির্জা আল-মাহমুদ, অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ আলী, অ্যাডভোকেট পারভীন ইয়াসমিন প্রমুখ।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তরা বলেন, এই বিচারপতিকে সুপ্রিমকোর্টে সংবর্ধনা দেয়া হবে না। সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল বিএনপিপন্থি আইনজীবী অ্যাডভোকেট এমইউ আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় এই বিচারপতি পরোক্ষভাবে জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়।
এই বিচারপতিকে যেন সুপ্রিমকোর্ট বার সংবর্ধনা না দেয় এজন্য প্রতিদিন বেলা ১টায় কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দেন বিএনপিপন্থি এই আইনজীবীরা।
এদিকে বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরীকে সংবর্ধনা দেয়ার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত মিছিল করে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা। এতে নেতৃত্ব দেন সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদীসহ বেশ কয়েকজন আওয়ামীপন্থি আইনজীবী।

