ঢাকাSaturday , 12 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বঙ্গবন্ধু সাধাসিধে জীবনযাপন করতেন

Link Copied!

hasinaনিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি হয়েও বঙ্গবন্ধু অত্যন্ত সাধাসিধে জীবনযাপন করতেন। তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনে থাকেননি। থেকেছেন ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের সাধারণ বাড়িতে। এই বাড়িতেই তাকে হত্যা করা হয়েছিল।’
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার তুলে দিতে গিয়ে এক অনুষ্ঠানে শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘উত্তরাধিকার সূত্রে আমরা ৩২ নম্বরের এই বাড়ি পেয়েছিলাম। ঢাকায় একটিমাত্র বাড়ি ছিল আমাদের। কিন্তু আমরা দুই বোন সিদ্ধান্ত নিলাম বাড়িটি বাংলাদেশের জনগণকে উৎসর্গ করার। কারণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজনীতি করতেন দেশের সাধারণ মানুষের জন্য।’
তিনি বলেন, ‘৩২ নম্বর বাড়িটি নিয়ে আমরা একটি মেমোরিয়াল ট্রাস্ট করেছি। এই ট্রাস্ট সমাজের দুস্থ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ওপর বারবার আঘাত এসেছে। ২১ আগস্টে আমাদের ওপর গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলা-অত্যাচার-নির্যাতনে আমাদের অসংখ্যা নেতাকর্মী হতাহত হয়েছেন। ট্রাস্টের মাধ্যমে আমরা তাদের সহায়তা করে যাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুস্থ লোকদের চিকিৎসার জন্য এই ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সাভারে একটি হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালের লাভের কোনো অংশ আমরা গ্রহণ করি না। রোগীদের ৩০ শতাংশ যারা গরীব, তারা এখানে চিকিৎসা সহায়তা পাচ্ছেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্র পরিচালনা করি মানুষের জন্য। সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের কাজ। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতার জন্মদিন ১৭ মার্চ। এই দিন জাতীয় শিশু কিশোর দিবস। দিবসটি উদযাপনের জন্য ছবি আঁকা, রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। আমার ইচ্ছা ছিল যারা পুরস্কার পেয়েছে তাদের হাতে এই গণভবনে দ্রুত পুরস্কার তুলে দেয়া। কিন্তু আমার ব্যস্ততার কারণেই সেটা সম্ভব হয়নি।’
অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আজ আপনারা গণভবনে এসেছেন। এ জন্য গণভবন ধন্য হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোট্ট শিশুরা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সুন্দর সুন্দর ছবি এঁকেছে। আমি তাদের জন্য দোয়া করি। যারা পুরস্কার পায়নি তাদেরকেও অভিনন্দন জানাই।’