ঢাকাFriday , 11 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বেতন বাড়ানোর অজুহাতে পণ্যের দাম কমাচ্ছে না ব্যবসায়ীরা

Link Copied!

Vegetableঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : এতোদিন দেশে বৃষ্টির অজুহাতে কাঁচাবাজারে পণ্যের দর বেড়েছে। তবে এখন আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলেও পণ্যের দাম কমছেই না। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সহসাই কাঁচাবাজারে পণ্যের দর কমছে না। কিন্তু পণ্যের দর না কমার সঠিক কোনো কারণ তারা বলতে পারছেন না। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর অজুহাত দেখিয়ে অনেক ব্যবসায়ী নিত্যপণ্যের  দাম কমাচ্ছেন না বলে খুঁচরা ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন।
শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি কাঁচাবাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপকালে তারা এ প্রতিবেদককে এমনটাই জানিয়েছেন।
এদিন রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, স্বামীবাগ, কাপ্তানবাজার, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতি কেজি গাঁজর ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকায়, শশা ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকায়, করলা ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় (গত শুক্রবার ছিল ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা), ঝিঙা ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায় (গত শুক্রবার ছিল ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা), বেগুন ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা (গত শুক্রবার ছিল ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা), পটল ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকায়, কাকরল ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায়, ভেন্ডি ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায়, ওস্তা ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকায় (গত শুক্রবার ছিল ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা), চিচিঙা ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায়, পেঁপে ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, দোন্দল ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায়, বড়বটি ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকায় (গত শুক্রবার ছিল ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা), টমেটো ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকায়, আলু ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে গত দুই তিন দিন আগে মরিচের দাম কমলেও শুক্রবার খুচরা বাজারে প্রতিকেজি মরিচ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, পাইকারি বাজারে পণ্যের দাম না কমলে তো আমরা কমিয়ে বিক্রি করতে পারবো না। তাছাড়া এখন সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বেড়েছে বলে পাইকারি ব্যবসায়ীরা আমাদেরকে অজুহাত দেখাচ্ছে। বৃষ্টির কারণে যেভাবে দাম বেড়েছে সেই দামইতো আর নামেনি।
সেগুনবাগিচা বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ জানান, পাইকারি বাজারে গিয়ে যদি বলি, এখনতো বৃষ্টি নাই, পণ্যের দাম কমাচ্ছেন না কেন? তখন পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলে, বৃষ্টি না থাকুক তাতে কি হয়েছে? আমদানি কম, এছাড়া সরকার তো চাকরিজীবীদের বেতন বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের ব্যবসায়ীদের তো আর কোনো ধরনের সুবিধা বাড়ায়নি। উল্টো সরকারকে বেশি করে ট্যাক্স দিতে হবে। তাহলে বাজারে পণ্যের দাম কমবে কি করে।
তিনি বলেন, পাইকারি ব্যবসায়ীরা এমনভাবে বললে পরে আর কিছুই বলা যায় না। বেঁচে থাকার তাগিদে ব্যবসায় টিকে আছি। সব দিক দিয়ে খুচরা ব্যবসায়ীদের সমস্যা। এক দিকে পুঁজি কম, অন্যদিকে ক্রেতাদের সঙ্গে দর কষাকষি, এরপর জিনিসের দাম বাড়ছে কেন জবাব দিতে দিতে অস্থির।
এদিকে বাজারে পেঁয়াজের দাম অপরিবতিত রয়েছে। বাজারে দেশী পেঁয়াজ ৭০ টাকা থেকে ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিদেশি পেঁয়াজ ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে রসুনের দাম ‍অপরিবর্তিত রয়েছে। দেশি রসুন ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় এবং আমদানি করা রসুন ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি আদা ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ডিমের দাম আগের সপ্তাহের চেয়ে কমেনি। খুচরা বাজারে প্রতি হালি ব্রয়লার মুরগির ডিম ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি হালি হাসের ডিম ৪৮ ‍টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে পাইকারি বাজারে ব্রয়লার মুরগির একশ ডিম ৯০০ টাকায় এবং হাসের ডিম ১০৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া বাজারে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগির দাম (সাদা) ১৭০ টাকা থেকে ১৭৫ টাকায়, ব্রয়লার মুরগি (লাল) ১৮৫ টাকা থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এবং প্রতিকেজি গরুর মাংসা ৩৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।