ঢাকাWednesday , 9 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিকাশ আমানতে সুরক্ষা দেয়া হবে

Link Copied!

Bkash-BBনিজস্ব প্রতিবেদক : একসময় শুধুমাত্র ব্র্যাক ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান বিকাশ ছাড়া সব মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের ক্ষুদ্র আমানতে সুরক্ষা দেয়ার কথা চিন্তা করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু মোবাইল ব্যাংকিং এর অধিকাংশ গ্রাহক বিকাশের হওয়ায় এবং বিকাশে গ্রাহকের ৮০০ কোটি টাকা আমানত থাকায় গ্রাহকদের আমানতকে সুরক্ষার আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩৬৩তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিকাশ গ্রাহকের আমানতকে প্রস্তাবিত আমানত সুরক্ষা আইন ২০১৪-এর আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ারও সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে।
সভার গৃহীত সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে- ব্র্যাক ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান বিকাশের গ্রাহকদের আমানত সুবিধার আওতায় আনতে হবে। যেহেতু অন্য সব মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহকরা আমানতে বীমা সুবিধার আওতায় আসছে। বিকাশকে এ সুবিধার আওতায় আনতে প্রস্তাবিত আমানত বীমা আইন-২০১৪ এর যেখানে, যে ধরনের সংশোধনী/পরিবর্তন প্রয়োজন তা করা হবে। কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং এ সংযুক্ত সব গ্রাহকের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আমানতকে সুরক্ষা দিতে চায়।
এসব বিষয়ের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী পর্ষদ সভায় উত্থাপন করতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘সব মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহক যেখানে আমানত বীমা সুবিধার আওতায় আসবে সেখানে বিকাশ বাদ পড়ে ছিল। কিন্তু তার গ্রাহকদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আমানত একটি বড় অংক হওয়ায় এটি আমাদের চিন্তা করতে হচ্ছে।’
এজন্য বোর্ড মিটিং এ সিদ্ধান্ত হয়েছে প্রস্তাবিত আমনত সুরক্ষা আইন ২০১৪ এর যে সব জায়গায় সংশোধন প্রয়োজন তা করার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিকাশে প্রতি মুহূর্তে গ্রাহকের আমানত জমা থাকে ৮০০ কোটি টাকা বা তারও ওপরে। প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকের সংখ্যা ১ কোটি ৮০ লাখ। এ বিশাল অংকের আমানতে সুরক্ষার কথা যখন চিন্তা করা হয়েছিল তখন সেটা আইনের আওতায় পড়ছিল না। তাই সিদ্ধান্ত হয়েছিল সুরক্ষা না দেয়ার। কিন্তু এটা নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের সুরক্ষার। যার মধ্য দিয়ে নিরাপদ হতে চলছে বিকাশে গ্রাহকের ৮০০ কোটি টাকার আমানত।
উল্লেখ্য, ব্যাংক লেট মডেল অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের অপরিশোধিত (জমা থাকা ই-মানি) অর্থ ক্লাস্টার (গুচ্ছ) অ্যাকাউন্ট হিসেবে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অথবা ভিন্ন একটি নামে গ্রাহক আমানতের অন্তর্ভুক্ত করে বীমা নির্ধারণীতে দাখিল করে। প্রতিটি গ্রাহকের আলাদা আলাদা পরিচিতিমূলক তথ্য ব্যাংকের হিসাবের খাতায় অন্তর্ভুক্ত থাকে। যার ফলে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৭৩ ধারা অনুযায়ী মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় পরিচালিত গ্রাহকের আমানত এককভাবে বিদ্যমান ব্যাংক আমানত বীমা আইন, ২০০০ কিংবা প্রস্তাবিত আমানত সুরক্ষা আইন ২০১৪ এর আওতায় সুরক্ষিত। আর এ প্রক্রিয়াটি বিকাশের কার্যক্রমে নেই বলেই তাদের আমানতকে সুরক্ষা দিতে পারছিল না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এজন্যই এবারে প্রস্তাবিত আমানত সুরক্ষা আইন ২০১৪ এর আওতায় বিকাশের আমানতে সুরক্ষা দিতে যেসব জায়গায় সংশোধন প্রয়োজন তা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।