ঢাকাTuesday , 8 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দৈনিক ২ কোটি টাকা দুর্নীতি, তদন্তে দুদক

Link Copied!

Dudokঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : বিমানে প্রতিটি আন্তর্জাতিক রুটে অতিরিক্তি কার্গো মাল বহন করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করছে সংশ্লিষ্টরা। এতে রাষ্ট্র যেমন বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সেই সঙ্গে হুমকির মুখে পড়ছে ফ্লাইটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অপচয় হচ্ছে অতিরিক্ত জ্বালানির।
বিমানের এইসব ভয়াবহ দুর্নীতি ও জালিয়াতির অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি দুদকে আসা এসব অভিযোগ যাচাই শেষে উপ-পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলমকে অনুসন্ধানের দিয়েছে কমিশন।
সোমবার অনুসন্ধানের শুরুতেই অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রেকর্ডপত্র চেয়ে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠি দিয়েছেন তিনি। দুদক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দুদকে আসা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লন্ডন, দুবাই, রিয়াদ, দাম্মাম, জেদ্দা, মাসকট, কুয়েত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের প্রতিটি ফ্লাইটেই অতিরিক্ত কার্গো মাল বহন করা হয়। যা থেকে আদায়কৃত ভাড়া বিমানের তহবিলে জমা না হয়ে চলে যায় সিন্ডিকেটের পকেটে। এসব করা হয় কাস্টমস এবং কার্গো কর্মকর্তাদের যোগসাজশে। এভাবে প্রতিদিন হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে ২ কোটি টাকা। এ টাকার ভাগ বাঁটোয়ারা হয় পিয়ন থেকে শুরু করে জিএম পর্যন্ত।
এতোদিন এই জালিয়াতি সবার অগোচরে থাকলেও লন্ডন ফ্লাইটের এক পাইলটের দূরদর্শিতায় ধরা পড়ে। সেখানে সাড়ে ৩ হাজার কেজি অতিরিক্ত কার্গো মাল ধরা পড়ায় আলোচনার ঝড় ওঠে। এমনকি বিষয়টি বিমান প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তদন্ত কমিটি করা হয়।
দুদক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অনুসন্ধানের শুরুতেই লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করা বিজি ০০১ ফ্লাইটটির ব্যাপারে জানতে চেয়ে বিমানের এমডিকে চিঠি দিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা। চিঠিতে চাওয়া হয়েছে- ওই ফ্লাইটে দায়িত্বরত ক্যাপ্টেন-পাইলট এবং কেবিন ক্রুসহ অন্য স্টাফদের নাম-ঠিকানার তালিকা ও লোড শিটের কপি; ওই ফ্লাইটে কার্গো মাল লোডে দায়িত্বরত বিমানের নিরাপত্তা শাখার, কাস্টমসের ও কার্গো শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম-ঠিকানার তালিকা; পরিবহনকৃত কার্গো মালের বিবরণ সম্বলিত তালিকা, এয়ারওয়েজ বিল এবং রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানাসহ এ সংক্রান্ত তথ্য ও রেকর্ড-পত্রের কপি।
এছাড়াও যাত্রী ও কার্গো অনুযায়ী স্বাভাবিক জ্বালানি তেলের চেয়ে যে অতিরিক্ত তেল পুড়েছে তার তুলনামূলক হিসাব বিবরণী সম্বলিত তথ্য ও রেকর্ড-পত্রের কপি। হিথ্রো বিমানবন্দরে অতিরিক্ত কার্গো মাল উদ্ঘাটনের পর সেখানকার অপারেশন ম্যানেজার বাংলাদেশ বিমানের এমডি’র কাছে যে প্রতিবেদন পাঠান সে প্রতিবেদনের কপি। আর জালিয়াতির ঘটনায় বিমানের পক্ষ থেকে যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় সে তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে।
এসব তথ্য আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সরবরাহ করতে বলা হয়েছে। আর একটি জালিয়াতির এসব রেকর্ডপত্র যাচাই-বাছাই করলেই বাকি জালিয়াতির বিষয় ও সংশ্লিষ্টদের নাম বেরিয়ে আসবে বলেও জানায় দুদক সূত্রটি।