নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমদে পলক বলেছেন, বাংলাদেশ আইটি সেক্টরে একটি অমিত সম্ভাবনার দেশ। এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ তরুণ প্রজন্মকে প্রশিক্ষিত করে এ দেশকে মধ্যম আয়ের এবং ক্রমান্বয়ে উন্নত দেশে রূপান্তরের জন্য আইটি, আইটিইএস তথা হাই-টেক শিল্প এবং এ শিল্পের বিকাশ উন্নয়নে হাই-টেক পার্ক, সফটওয়ার টেকনোলজি পার্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিমন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত ‘ফর্মুলেটেড এ ড্রাফট পলিসি অ্যান্ড রোড ম্যাপ ফর ‘আইটি/আইটিইএস/হাইটেক পার্ক’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, হাই-টেক শিল্পের বিকাশে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পলিসি প্রণয়নে Gartner’s 10 criteria, McKinsey’s Loc. Readiness Index , Components of CLIP Model ইত্যাদি বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।
হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আইসিটি সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার।
অনুষ্ঠানে কি-নোট উপস্থাপন করেন ভারতের আইটি প্রতিষ্ঠান আর্ননেস্ট এন্ড ইয়োংয়ের কনসালট্যান্ট ড. অখিলেশ সউরিখিয়া। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাপোর্ট টু ডেভলপমেন্ট অব কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কের প্রকল্প পরিচালক এ.এন.এম সফিকুল ইসলাম। এতে আরও বক্তৃতা করেন তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তফা জব্বার, এসোসিওর সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল এইচ কাফি, বুয়েটের সিএসসির চেয়ারম্যান মাহফুজুল ইসলাম প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিশ্বমানের ব্যবসা পরিবেশ সৃষ্টি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণ, দেশিয় শিল্প উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে হাই-টেক ও আইটি পার্ক স্থাপন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পিপিপি মডেলে কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কের অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে ২, ৫ এবং ৩ নং ব্লকের জন্য ২টি ডেভেলপার নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য ব্লকের উন্নয়নের জন্য ডেভেলপার নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে সহায়ক অবকাঠামো প্রস্তুত করার জন্য বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন।

