অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : শুধু কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ দিয়ে মূল্যস্ফীতির হার নির্ণয় করা যায় না। সারা দেশ পানির নিচে। বৃষ্টিতে কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম চড়া। ভারতেও কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজের দাম চড়া । চালের দাম বাড়েনি। যে কারণে মূল্যস্ফীতি ঠিকই আছে।
বুধবার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের জন্য মিট দ্য প্রেস সেশনে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ কথা বলেন।
অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, আইএমইডি’র সচিব শহিদ উল্লা খন্দকার, বিবিএসের সচিব কানিজ ফাতেমা, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম, আরাস্তু খান, হুমায়ুন খালিদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বাজারে কাঁচা মরিচ, সবজি, পেঁয়াজসহ সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম চড়া হলেও মাসওয়ারী জুলাই থেকে আগস্ট মাসে সাধারণ, খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার কম দেখালো বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। এ বিষয়ে মন্ত্রীর মনোভাব জানতে চাইলে তিনি এ কথা বলেন।
গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়লো। মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব পড়বে কি? এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘গ্যাসের মূল্য শহরে বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যুতের দাম বাড়লেও মূল্যস্ফীতিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। ধীরে ধীরে গ্যাস-বিদ্যুতের বাড়তি দামে অভ্যাস করতে হবে। আমরা সব কিছু কম দামে জনগণের কাছে সরবরাহ করি বলে বিশ্বব্যাংক আমাদের বকাবকি করে। আমরা যে দামে গ্যাস-বিদ্যুৎ দিচ্ছি এতো কম দামে বিশ্বের কোথাও দেওয়া হয় না।’
সামনে জ্বালানি তেলের দাম কমবে কি? এ প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কম আছে, এটা নিয়ে সরকার ভাবছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনকে সরকার অনেক ভর্তুকি দিয়েছে। সেটার সামঞ্জস্য করার চেষ্টা চলছে।’

