ঢাকাWednesday , 2 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ওদের পাশে থাকতে চান মাশরাফি

Link Copied!

Masrafiস্পোর্টস  ডেস্ক : বাংলাদেশের তরুণদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণার নাম মাশরাফি বিন মর্তুজা। তার মত হওয়ার স্বপ্ন দেখে অনেখে। তার জীনব, সংগ্রাম, কর্মকৌশল প্রতিটি তরুণই এখন দৃষ্টান্ত হিসেবে নিতে চায়। সেই মাশরাফি বিন মর্তুজা যখন শারিরীক প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়ান, তাদের অনুপ্রেরণা দেন, তখন সেই প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের এর চেয়ে আর বড় পাওয়া কিছু হতে পারে না।
ইন্টারন্যাশনল রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) এবং বিসিবির আয়োজনে ৫টি দেশ নিয়ে বুধবার শুরু হতে যাচ্ছে শারিরীক প্রতিবন্ধীদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। এ টুর্নামেন্টের শুভেচ্ছা দূতও নির্বাচন করা হয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজাকে।
বিসিবির এলিট প্লেয়ার্স দল নামে জাতীয় দলের কঠোর ফিটনেস ট্রেনিংয়ে মাঝেও সময় বের করছেন মাশরাফি। তিনি এসে কথা বলেছেন বাংলাদেশের শারিরীক প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে। এবার সরাসরি বললেন, খেলার সময় মাঠে উপস্থিত থেকেই বাংলাদেশের প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের উৎসাহ যুগিয়ে যাবেন তিনি।
মঙ্গলবার টুর্নামেন্ট পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে শারিরীক প্রতিবন্ধী দলকে শুভকামনা জানিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘সহানুভূতি নয় সমর্থন যোগাতে আমি থাকব। যেহেতু আমাদের অনুশীলন ক্যাম্প চলছে, হয়তো প্রতিটা ম্যাচে থাকতে পারব না।
তারপরও প্রতিটি দলকে সমর্থন যোগাতে চাই। টুর্নামেন্টটা উপভোগ করুক ক্রিকেটাররা। এমন একটা উদ্যোগের পাশে থাকতে পেরে আমি নিজেকেই গর্বিত মনে করছি।’
শারিরীক প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের জন্য তার রয়েছে অন্তরের অন্তস্থল থেকে শুভেচ্ছা। টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া ক্রিকেটারদের সাহসিকতা, উদ্যম আর প্রাণশক্তির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন মাশরাফি।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাকে যখন শুভেচ্ছা দূত করা হয়েছিল, তখনই বলেছিলাম যে, (এটা) আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় ঘটনা। টুর্নামেন্ট এখন শুরু হচ্ছে, খুব ভালো লাগছে। চেষ্টা করব যত বেশি সম্ভব মাঠে থাকার, খেলা দেখার।’
বাংলাদেশের দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মনে করেন, প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের প্রচারের আলোয় নিয়ে আসা প্রয়োজন। এ বিষয়ে মাশরাফি বলেন, ‘কারণ, পরিবার থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই ওরা অনেক অবহেলিত। ওদের ওপর আলোটা পড়লে সবাই ওদের নিয়ে নতুন করে ভাবতে পারবে। ওরাও জীবন নতুন করে এগিয়ে নিয়ে  যেতে পারবে।’