ঢাকাWednesday , 2 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ক্রিকেট উৎসবে রোমাঞ্চিত তারাও

Link Copied!

sportsস্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে আয়োজিত আইসিআরসি আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট নিয়ে দারুণ রোমাঞ্চিত আয়োজকরা। ঠিক তেমনি রোমাঞ্চিত এ আসরে অংশ নেয়া পাঁচ দলের অধিনায়ক নায়করাও। শিরোপার স্বপ্ন যেমন প্রতিটি দলের অধিনায়কের আছে, ঠিক তেমনি এ টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পেরেও শিহরিত তারা।
বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে আইসিআরসি আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। শারীরিক প্রতিবন্ধীদের এমন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট এটিই প্রথম। মিরপুর স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী দিনে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের বাকি তিন দল-ভারত, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান।
মঙ্গলবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে  সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন পাঁচ দলের অধিনায়ক। এদিন ট্রফি সামনে রেখে অধিনায়কেরা শোনালেন শিরোপা জয়ের স্বপ্নের কথা। তবে ট্রফি জয়ের চেয়েও একটি স্বপ্ন তাদের পূরণ হয়েই যাচ্ছে। এমন একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলতে পারাটা তাদের কাছে প্রায় স্বপ্নকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মতোই।
শারিরিক প্রতিবন্ধী ক্রিকেটে বাংলাদেশ একেবারেই নতুন। তবুও ভালো করার ব্যাপারে আশাবাদী স্বাগতিক অধিনায়ক আলম খান, ‘এমন একটা টুর্নামেন্টে খেলতে পেরে ভালো লাগছে। অনেক দল আগে থেকেই খেলছে। আমরা খুব বেশি দিন একসঙ্গে অনুশীলন করতে পারিনি। তারপরও ভালো করতে পারবো বলে বিশ্বাস করি। এই টুর্নামেন্ট শারীরিক প্রতিবন্ধীদেরও স্বপ্ন দেখাবে দেশের জন্য কিছু করার।’
আধুনিক ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ড। শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্রিকেটটাও প্রথম শুরু করেছে তারাই। খেলছে প্রায় ৫ বছর ধরে। সেদিক থেকে তারা বেশ অভিজ্ঞই। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ইয়ান নারিন বলেন, ‘এর আগে আমর আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সঙ্গে খেলেছি। যা আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছে। এই টুর্নামেন্টে আমরা প্রমাণ করতে চাই যে, আমরা শারীরিকভাবে সক্ষমদের তুলনায় পিছিয়ে নই। আমরাও একই বলে একই রকম শট খেলতে পারি। আশা করি এটা খুবই প্রতিদ্বন্দ্বীতামূলক টুর্নামেন্ট হবে।’
পাকিস্তানের অধিনায়ক হাসনাইন আলম বলেন, ‘আইসিআরসি ও বিসিবিকে ধন্যবাদ এত বড় একটি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। প্রতিবন্ধী ক্রিকেটের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় মুহূর্ত। বিশ্বজুড়ে প্রতিবন্ধীদের ক্রীড়ার ক্ষেত্রেও এটি একটি বড় মাইলফলক হয়ে থাকবে। আশা করি, আইসিসিও এখন প্রতিবন্ধী ক্রিকেটে মনোযোগ দেবে। ভালোবাসার এই খেলা যেন আমরা আরও বেশি খেলতে পারি, সেটির ব্যবস্থা করবে।’
এ টুর্নামেন্টে পাকিস্তান শিরোপা জযের লক্ষ্যেও খেলবে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে পাকিস্তানের অধিনায়ক আর বলেন, ‘পাকিস্তান দলের কথা বললে, আমাদের প্রস্তুতি হয়েছে দারুণ। তিনটি সিরিজ খেলেছি আমরা, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি, আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি। তিনটি সিরিজই আমরা জিতেছি। এই টুর্নামেন্ট জয়ের ব্যাপারেও আমরা দারুণ আশাবাদী। ছেলেরা সবাই অনেক পরিশ্রম করেছে। দেশে আমাদের অনুশীলনও খুব ভালো হয়েছে। আশা করি, আমরা ভালো করতে পারব।’
ভারতের অধিনায়ক দিনেশ কুমার অবশ্য নিজেদের লক্ষ্যের চেয়ে কষ্টের কথাই বেশি করে বললেন, ‘আমাদের অবজ্ঞা করা হতো। এটা সব দেশেই। বাংলাদেশে এসে ভালো লাগছে। যেন ঘরেই আছি। বিসিবি ও আইসিআরসিকে ধন্যবাদ এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করায়। আশা করি ক্রিকেট খেলুড়ে সব দেশই এখানে যুক্ত হবে। আমাদের আশা, সবগুলি দেশের ক্রিকেট বোর্ড আমাদের অনুমোদন দেবে এবং পাশে দাঁড়াবে।’
আফগানিস্তান দলের অধিনায়ক আশরাফ খান বলেন, ‘বিসিবি, আইসিআরসিকে ধন্যবাদ। তারা আমাদেরকে এমন একটি টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ করে দিয়েছে। তাই আশাকরি টুর্নামেন্টটা সফল হবে। আর এ টুর্নামেন্টে আমার দল প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ন ক্রিকেটই খেলবে। একই সঙ্গে আমরা ভালো ক্রিকেট উপহার দিব দর্শকদের।’