ঢাকাWednesday , 2 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শত কোটি টাকার জমি আত্মসাতে চার্জশিট দিচ্ছে দুদক

Link Copied!

Dudokনিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর অভিজাত এলাকা ধানমণ্ডিতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের ২০ কাঠা জমি আত্মসাতের ঘটনায় জালিয়াতি চক্রের ছয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দিতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কমিশনের এক বৈঠকে এ চার্জশিট অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়। শিগগিরই দুদকের সহকারী পরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম এ চার্জশিট আদালতে দাখিল করবেন।
সূত্র জানায়, চার্জশিটভুক্ত আসামি তথা ওই জালিয়াতি চক্রের সদস্যরা হলেন- সরদার জান মোহাম্মদ, সরদার জান এলাহী, সরদার জানে আলম, সরদার জানে ইসলাম, দিলারা বেগমের এবং মো. রুহুল আমিন।
দুদকের তদন্তে দেখা যায়, ধানমণ্ডি এলাকার নতুন রোড -৬/এ, বাড়ি নং-৬৬ এর ২০ কাঠা জমি ও তার উপর স্থাপনাদির মালিক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ। তিনি ১৯৯২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু আসামি সরদার জান মোহাম্মদ, সরদার জান এলাহী, সরদার জানে আলম এবং সরদার জানে ইসলাম সেই মৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর জাল করে জমির বায়নানামা তৈরি করে মালিকানা দাবি করেন। পরে এ দাবিনামা আদালতে ও মন্ত্রণালয়ে দাখিল করলে তদন্তে সেটি জাল বলে প্রমাণিত হয়।
এছাড়া, নির্বাচন কমিশন থেকে পাঠানো প্রতিবেদন হতে দেখা যায়, আসামি দিলারা বেগমের ছবি গিয়াস উদ্দিন আহমেদের উত্তরাধিকারী ডা. আসমা বানুর আইডি কার্ডে সংযোজন করা হয়েছে। আবার আসামি মো. রুহুল আমিন জাল আমমোক্তারনামা দলিলে দাতার ছবির সঙ্গে ডা. আসমা বানুর আইডি কার্ডে সংযোজিত করেন। এছাড়া হাতে লেখার স্বাক্ষরও তারা নকল করেন। পরে আসামিরা প্রতারণার উদ্দেশ্যে দিলারা বেগমকে ডা. আসমা বানু সাজিয়ে এ জাল আমমোক্তার নামা দলিলটি সৃষ্টি করেন ( নং- ৫২০৪)।
আসামিরা ভূমি জালিয়াতি চক্রের সদস্য বলে দুদকের তদন্তে ওঠে এসেছে। তাদের কাজ হচ্ছে বিভিন্ন মানুষের জমির ভূয়া বায়নানামা ও ভূয়া আমমোক্তারনামা তৈরি করে হয়রানি ও মানুষের জমি অবৈধভাবে ভোগ দখল করা। আর এভাবেই তারা পরস্পর যোগসাজসে ওই ২০ কাঠা জমি ও তার উপর অবস্থিত স্থাপনাদি জাল রেকর্ডপত্রের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভোগ দখল করেছেন এবং তা আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন। যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদনটি কমিশনে দাখিলের পর তা যাচাই-বাছাই শেষে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুদক। শিগগিরই তদন্ত কর্মকর্তা এ চার্জশিটটি দাখিল করবেন বলেও জানায় দুদক সূত্র।