ঢাকাTuesday , 1 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পানি শোধনে ৪৫৯৭ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

Link Copied!

cabinetঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : নগরবাসীর পানির চাহিদা পূরণে ‘সায়েদাবাদ পানি শোধানাগার’ নামে ৪ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকার প্রকল্পসহ মোট ৭টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেকের নিয়মিত বৈঠকে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘একনেক বৈঠকে  ৭ হাজার ২১৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৭ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সরকারি অর্থায়নে ৩ হাজার ১১৭ কোটি ৭৬ লাখ, সংস্থার নিজস্ব তহবিলে ১০৪ কোটি এবং প্রকল্প সাহায্য হিসেবে ৩ হাজার ৯৯৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।’
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আজকের একনেক বৈঠকে নগরবাসীর পানির চাহিদা পূরণ করার জন্য ৪ হাজার ৫৯৭ কোটি  ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘সায়দাবাদ পানি শোধনাগার’ নামে একটি বড় প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’
প্রকল্পটি সম্পর্কে তিনি বলেন, রাজধানীতে বর্তমানে মোট জনসংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। তাদের প্রতিদিন পানির চাহিদা ২২০০ এমএলডি। কিন্ত এই চাহিদার মধ্যে ২ হাজার এমএলডি পানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে প্রতিনিয়ত এ চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০৩৫ সালে পানির চাহিদা হবে ৫ হাজার ২৬৮ এলএমডি। এ সব দিক বিবেচনা করে এই প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘পানি উত্তোলনের জন্য ওয়াসা মূলত ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভশীল। ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে প্রতিবছর পানির স্তর ২-৩ মিটার নিচে নেমে যাচ্ছে যা শুধু পরিবেশেরই জন্য হুমকি নয় ও খাবার পানির জন্যও হুমকি স্বরুপ। এ কারণে সরকারের পরিকল্পনায় আছে ২০৩৫ সালের মধ্যে আমরা ভু-গর্ভস্থ পানি ব্যবহার করবো ৩০ ভাগ ও  ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার করবো ৭০ ভাগ।
অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হলো- ‘বিসিক শিল্প পার্ক, টাইঙ্গল’ প্রকল্প’। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ১৬৪ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।
৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউটের সমন্বিত গবেষণা কার্যক্রম জোরদারকরণ’ প্রকল্প।
‘বগুড়া জেলার সরিয়াকান্দি উপজেলাধীন কুর্নিবাড়ি হতে চন্দনবাইশা পর্যন্ত যমুনা নদীর ডান তীর সংরক্ষণ কাজসহ বিকল্প বাঁধ নির্মাণ’ প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ৩ শ কোটি টাকা।
এছাড়া ১ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মেঘনা সেতুর স্কাউয়ার প্রটেকশন এবং মেঘনা সেতু ও গোমতী সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ’ প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় করা হবে ৪১ কোটি টাকা।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকার রাস্তা অ্যাসফল্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে উন্নয়ন’ প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২০০ কোটি টাকা।