ঢাকাMonday , 31 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফেলানী হত্যা : ভারতকে ৫ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের সুপারিশ

Link Copied!

falaniকুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী হত্যার ক্ষতিপূরণ হিসেবে তার পরিবারকে ৫ লাখ রুপি দিতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে সুপারিশ করেছে দেশটির জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।
সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফেলানী হত্যা মামলার আইনজীবী ও কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এসএম আব্রাহাম লিংকন।
ফেলানী হত্যায় মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি শ্রী সাইরিয়াক যোসেপের কাছে আবেদন করেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সে দেশের মানবাধিকার কমিশন কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এ সুপারিশ করে।
গত জুলাই মাসে ড. মিজানুর রহমান ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি শ্রী সাইরিয়াক যোসেপের কাছে পাঠানো এক পত্রে মানবাধিকার রক্ষায় দুই দেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের গঠনমূলক কর্মকাণ্ডের উল্লেখ করেন। এতে কিশোরী ফেলানী খাতুন (১৩) হত্যাকে আন্তের্জাতিক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করে এ মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। এ ক্ষেত্রে ভারতীয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কার্যকরী ও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন।
ফেলানী হত্যা মামলার আইনজীবী ও কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এসএম আব্রাহাম লিংকন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ক্ষতিপূরণ দেয়ার মানে ফেলানী হত্যা মামলায় ন্যায়বিচারে ভারত সরকারের একটা স্বীকৃতি। এর মাধ্যমে ফেলানী হত্যা মামলার বিচারের প্রয়োজনীয়তা আরও দৃঢ় ভিত্তি পাবে।’
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফ সদস্য অমিয় গোষের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয় কিশোরী ফেলানী। এ ঘটনার পর বিএসএফের আদালতে অমিয় ঘোষকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ গঠন করা হয়। দুই বছর ৮ মাস পর ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করে রায় দেন বিএসএফের বিশেষ আদালত। তবে ওই রায়কে যথার্থ মনে করেনি বিএসএফ মহাপরিচালক। তিনি রায় পনর্বিবেচনার আদেশ দিয়েছিলেন।
গত ২ জুলাই দ্বিতীয় দফায় বিএএফের বিশেষ আদালত পুনরায় অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করে রায় দেন। এ রায় ঘোষণার ছয় দিন পর ৮ জুলাই বাংলাদেশ আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সহায়তায় বাংলার মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম) এর মাধ্যমে ভারতের উচ্চ আদালতে ফেলানী হত্যার ন্যায় বিচার চেয়ে আবেদন করেন ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম নুরু।