নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আসন্ন ঈদুল আজহা সবাই যাতে নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মহাসড়কের যানজটপ্রবণ ১৪টি পয়েন্টে ওয়াচ টাওয়ার বসানো হবে। ঢাকা, টাঙ্গাইল, চন্দ্রা ও কালিয়াকৈর এলাকায় বিশেষ এ ব্যবস্থা থাকবে।
রোববার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘রাজধানীসহ সারা দেশে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণসহ নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও র্যাব। যখন যেখানে প্রয়োজন সেখানে আইনশৃ্ঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। নৌপথে নৌপুলিশ, কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনী কাজ করবে।’ পাশাপাশি দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকায় ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও রেকারের ব্যবস্থা থাকবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘কোনো ধরনের নাশকতা যাতে না ঘটে, সেই ব্যাপারে গোয়েন্দা সংস্থা, র্যাব তৎপর থাকবে। হাটগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জাল নোট শনাক্তের জন্য মেশিন রাখা হবে। চুরি ছিনতাই ও মলমপার্টি ঠেকাতে রাজধানীর ১৬টি পশুহাটে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইজারাদারদের নিজ দায়িত্বে এই সিসিটিভি বসাতে হবে।
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘বিজিএমইএ ও বিকেএমইএকে পর্যায়ক্রমে শ্রমিকদের ছুটি দিতে বলা হয়েছে। যাতে শ্রমিরা নির্বিঘ্নে বাড়িতে ফিরতে পারেন। এ বিষয়ে বিজিএমেএ ও বিকেএমইএ’র নেতাদের সঙ্গে একটি বৈঠক করা হবে।’
মন্ত্রী বলেন,ঈদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে সিটি করপোরেশনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।মানুষের ভোগান্তি দূর করতে ঈদে কালোবাজারিদের হাতে টিকেট না যায় সে জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়েকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, পশুহাটে কমিউনিটি পুলিশ ইজারাদারসহ আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী মলমপার্টি অজ্ঞানপার্টি যাতে না থাকতে পারে সে ব্যবস্থা নেবে। অজ্ঞানপার্টি, মলমপার্টি ধরতে অভিযান চলবে। এছাড়া কোরবানির পশুর চামড়া পাচার রোধে বিজিবি সতর্ক থাকবে।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোজাম্মেল হক খানসহ পুলিশ, র্যাব, আনসার, কোস্টগার্ড ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

