নিজস্ব প্রতিবেদক : ভুয়া দলিলে জমি ক্রয়-বিক্রয় করে সরকারের ৭০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে রাজধানীর বাড্ডার সাব রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান। এই অভিযোগটির অনুসন্ধানের শুরুতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত চেয়ে চিঠি দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সম্প্রতি অনুসন্ধানী র্কমর্কতা ও উপ-পরচিালক হামদিুল হাসান দুদকে আসা অভিযোগের বিষয়ে তথ্য চেয়ে তেজগাঁও সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোছা. নাজমা নাহারের কাছে চিঠি দিয়েছেন। দুদক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্রটি জানায়, জাল রেকর্ডপত্র এবং ভুয়া দাতা সাজিয়ে গত ২৬ অক্টোবর রাজধানীর বাড্ডা এলাকার ১৪ শতাংশের একটি প্লটের হেবা দলিল (নং-(৯০৭৭) রেজিস্ট্রি করেন বাড্ডার সাব-রেজিস্ট্রার মো. মিজানুর রহমান। ওই জমির প্রকৃত মূল্য প্রায় ১০ কোটি হলেও ‘হেবাকৃত’ জমির হিসেবে দেখিয়ে একটি জালিয়াতি চক্র ওই সাব-রেজিস্ট্রারের সহযোগিতায় রাজস্ব ফাঁকি দিতেই সাফকবলার পরিবর্তে হেবা দলিল সম্পাদন করেছেন। আর দলিলে প্লট জমিকে উল্লেখ করা হয় ‘নাল জমি’ হিসেবে। এভাবে এক জালিয়াতি চক্রের সহযোগিতায় ভুয়া হেবা দলিল দেখিয়ে প্রায় ৭০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছেন তিনি।
বিষয়টি যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। এজন্য দুদকের উপপরিচালক হামিদুল হাসানকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি অনুসন্ধানের শুরুতেই গত বৃহস্পতিবার তেজগাঁও সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোছা. নাজমা নাহরের নিকট ওই অভিযোগ তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে জরুরি ভিত্তিতে অনুসন্ধানী কর্মকর্তার তথ্য সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।

