ঢাকাThursday , 27 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

১৩ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করছে সরকার

Link Copied!

oilঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : দেশের জ্বালানি তেলের চাহিদা পূরণে জুলাই-ডিসেম্বর প্রান্তিকের জন্য চার দেশ থেকে ‘বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন’ (বিপিসি) মেয়াদি চুক্তির আওতায় ১৩ লাখ ৫ হাজার টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে।
এর মধ্যে ডিজেল (গ্যাস অয়েল) ৮ লাখ ৭৬ হাজার টন, জেট এ-১ ১ লাখ ৬০ হাজার টন, ফার্নেস অয়েল ২ লাখ ৬০ হাজার টন এবং  মো-গ্যাস ৯ হাজার টন আমদানি করা হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কুয়েত ও ফিলিপাইন থেকে এসব জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এ-সংক্রান্ত চারটি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত হবে।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, জুলাই-ডিসেম্বর প্রান্তিকে সারা দেশে ডিজেলের (গ্যাস অয়েল) চাহিদা হচ্ছে ১৭ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন, জেট এ-১-এর চাহিদা হচ্ছে ১ লাখ ৮৮ হাজার মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েলের চাহিদা হচ্ছে ৫ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন ও মো-গ্যাস-এর চাহিদা হচ্ছে ৬৭ হাজার মেট্রিক টন।
উল্লেখিত চাহিদার বিপরীতে ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে সম্ভাব্য ডিজেল (গ্যাস অয়েল) প্রাপ্তির পরিমাণ হচ্ছে ১ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন এবং ফার্নেস অয়েল প্রাপ্তির সম্ভাব্য পরিমাণ হচ্ছে ১ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। অন্যদিকে জেট এ-১ ও মো-গ্যাস চাহিদার পুরোটাই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই-ডিসেম্বর প্রান্তিকে ‘কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন’ থেকে ৫ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল ক্রয় করা হবে। এর জন্য মোট ব্যয় হবে ৩২ কোটি ৪৩ লাখ ডলার বা ২ হাজার ৫৪২ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
এর মধ্যে ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলের মূল্য বাবদ ২৫ কোটি ১০ লাখ ডলার বা ১ হাজার ৯৬৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন জেট এ-১-এর মূল্য বাবদ ৭ কোটি ৩৪ লাখ ডলার বা ৫৭৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে।
মালয়েশিয়ার ‘পেটকো ট্রেডিং লাবুয়ান কোম্পানি লিমিটেড’ থেকে ৩ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল ক্রয় করা হবে। এর জন্য ব্যয় হবে ১৮ কোটি ৭ লাখ ১২ হাজার ডলার  বা ১ হাজার ৪১৬ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
এর মধ্যে ১ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলের মূল্য বাবদ ১০ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ডলার বা ৮৬২ কোটি ৩২ লাখ টাকা, ৪০ হাজার মেট্রিক টন জেট এ-১-এর মূল্য বাবদ ২ কোটি ৪৪ লাখ ৬৭ হাজার ডলার বা ১৯১ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েলের মূল্য বাবদ ৪ কোটি ৬২ লাখ ৫৫ হাজার ডলার বা ৩৬২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে।
ফিলিপাইনের ‘পেনোক এক্সপ্লোরেশন করপোরেশন’ থেকে ২ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল ক্রয় করা হবে। এর জন্য ব্যয় হবে ১০ কোটি ৯৬ লাখ ডলার বা ৮৫৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
এর মধ্যে ১ লাখ ৪১ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলের মূল্য বাবদ ৭ কোটি ৯৫ লাখ ৩১ হাজার ডলার বা ৬২৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা, ৯ হাজার মেট্রিক টন মো-গ্যাস-এর মূল্য বাবদ ৬৯ লাখ ৪২ হাজার ডলার বা ৫৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং ৬০ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েলের মূল্য বাবদ ২ কোটি ৩১ লাখ ২৭ হাজার ডলার বা ১৮১ কোটি ৩২ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘আমিরাতস ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি’ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল ক্রয় করা হবে। এর জন্য মোট ব্যয় হবে ৮ কোটি ১৬ লাখ ডলার বা ৬৩৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
এর মধ্যে ৯০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলের মূল্য বাবদ ৫ কোটি ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার বা ৩৯৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকা এবং ৮০ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েলের মূল্য বাবদ ৩ কোটি ৮ লাখ ৩৬ হাজার ডলার বা ২৪১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে।