ঢাকাThursday , 27 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হিলি বন্দরে পেঁয়াজের পাইকারি দাম কমেছে

Link Copied!

onionহিলি প্রতিনিধি : ভারত সরকারের নতুন বেধে দেওয়া পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য প্রতি মেট্রিক টন ৭০৫ মার্কিন ডলারেই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। বন্দরে পেঁয়াজ আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে।
তবে ক্রেতা সঙ্কটের কারণে বন্দর এলাকায় পেঁয়াজের মজুদ বেড়ে গেছে এবং দুদিনের ব্যবধানে এর পাইকারি দাম কেজি প্রতি কমেছে ১৫ থেকে ১৬ টাকা।
এর আগে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে সোমবার সন্ধ্যায় ভারত সরকার রপ্তানি মূল্য ৪৩০ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৭০৫ মার্র্কিন ডলার নির্ধারণ করে। মূলত পেঁয়াজ রপ্তানিকে নিরুৎসাহিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
বাংলাহিলি কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্ট কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় ভারতে পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য বৃদ্ধির কারণে হিলি বন্দর দিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। পরে বিকাল সাড়ে ৩ টা থেকে নতুন মূল্যেই পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। সেদিন বন্দর দিয়ে ৪ ট্রাকে ৭৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়।
বুধবার বন্দর দিয়ে ২১ ট্রাকে প্রায় ৪শ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত বন্দর দিয়ে ১৬ ট্রাকে প্রায় ৩শ মেট্রিক টনের মতো পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিন হিলি স্থলবন্দর ঘুরে জানা গেছে ভারত থেকে আমদানি করা বেলোরি ছোট জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে (ট্রাকসেল) ৫২ টাকা থেকে ৫৩ টাকা দরে। একই জাতের বড় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫২ টাকা থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে। পাটনা জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে প্রকারভেদে ৫০ টাকা থেকে ৫১ টাকা দরে। ইন্দ্রো জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫১ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি দরে। যা প্রকারভেদে দুই দিন আগে বিক্রি হয়েছিল ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা দরে।
এদিকে বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ প্রকারভেদে খুচরা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা দরে। আর দেশি জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা দরে। দুদিন আগে আমদানি করা এসব ভারতীয় পেঁয়াজ প্রকারভেদে বিক্রি হয়েছিল ৭০ টাকা থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে। আর দেশি জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন অর রশীদ হারুন জানান, দেশের বাজারে পেঁয়াজের মূল্য স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখতে ভারত সরকারের বেঁধে দেওয়া বাড়তি মূল্যেই বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। তবে হঠাৎ করে দেশের বাজারে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি হওয়ার ফলে পাইকারদের মাঝে এক ধরণের আতঙ্ক বিরাজ করার কারণে অনেকে আপাতত পেঁয়াজ কেনা বন্ধ রেখেছেন। ফলে খানিকটা কম দামেই আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে। গুদামে পেঁয়াজের মজুদ বেড়ে গেছে। পচে নষ্ট হওয়ার ভয়ে আমদানিকারকরা কম দামেই পেঁয়াজ বিক্রি করে দিচ্ছেন।
হিলি স্থলবন্দর শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা (আরও) মো. মনিরুজ্জামান জানান, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। বন্দরের ভেতরে পেঁয়াজের গাড়ি প্রবেশের পর অতি দ্রুত পরীক্ষণ শুল্কায়ন সম্পুর্ণ করে পেঁয়াজ বন্দর থেকে ছাড়া হয়ে থাকে। বুধবার বন্দর দিয়ে ২১ ট্রাক পেয়াজ আমদানি হয়েছে।