অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরাইভাবে যেসব ব্যবসায়ী মালামাল আমদানি করছেন, তাদের তালিকা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান। এসব ব্যবসায়ীর দিকে গোয়েন্দাদের নজর রয়েছে বলও জানান তিনি।
রাজধানীর শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কার্যালয় উদ্বোধন ও বার্ষিক প্রকাশনা মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এর আগে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বার্ষিক প্রকাশনা মোড়ক উন্মোচন করেন। পরে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কার্যালয় উদ্বোধন করেন তিনি।
চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান বলেন, ‘গোয়েন্দাদের নজর অসৎ ব্যবসায়ীদের দিকে। তাদের সাবধান হয়ে যাওয়া উচিৎ। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোনও ব্যবসায়ী মালামাল আমদানি করবেন না। আপনারা আইনের আওতায় আসবেন।’
তিনি আরও বলেন, অসৎ ব্যবসায়ীদের তালিকা করতে আলাদা একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমাদের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। খুলনায় এ কমিটিটি অপারেশনও চালিয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা ছাড় পাবে না।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বর্ণ চোরাচালান যে পথে হোক না কেন সব স্থানে গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। আমরা চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি। এ জন্য আমাদের একটি আইনও রয়েছে। যেটি ১৯৬৯ সালে প্রণয়ন করা হয়েছে।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বলেন, চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে ঢাকায় যেভাবে আমাদের গোয়েন্দারা তৎপর, তেমনি চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, রংপুর, রাজশাহীসহ সারাদেশে তৎপরতা রয়েছে। আমরা বিভিন্ন এজেন্সির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি।

