ঢাকাWednesday , 26 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বার কাউন্সিল নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে

Link Copied!

barনিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকাসহ সারা দেশে বার কাউন্সিল নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে। বুধবার সকাল ১০টায় এই ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
সকাল ১০টার একটু পরে সুপ্রিমকোর্ট বারে স্থাপিত কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত নীল প্যানেলের সাধারণ আসনে পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন।
বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, সরকার সমর্থিত ব্যারিস্টার এম আমিরুল ইসলাম নেতৃত্বাধীন সাদা প্যানেলের নেতাকর্মীরা ব্যস্ত রয়েছেন ভোট চেয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই প্যানেলের সক্রিয় নেতা অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ খবিরউদ্দিন ভূইয়া ভোট কার্যক্রম মনিটরিং করছেন।
কয়েক দফা পেছানোর পর বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন হচ্ছে আজ।
বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের সংগঠন নীল প্যালেন ও আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের সাদা প্যানেল ছাড়াও অনেক আইনজীবী এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ভিন্ন মতাদর্শের আইনজীবী সংগঠনের ব্যানারে।
তবে নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে সরকার সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ এবং বিএনপি ও জামায়াত সমর্থক জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের মধ্যে।
নির্বাচনে সংশোধিত ভোটার তালিকা অনুযায়ী সারা দেশের ৪৩ হাজার ৩০২ জন আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
এর আগে গত ২০ মে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও এক  আবেদন করা হলে নির্বাচন পিছিয়ে ২৭ মে দিন ধার্য করা হয়। এরপর আবার হাইকোর্টের এক আইনজীবী বার কাউন্সিল নির্বাচন ২০১৫-এর তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করলে শুনানি করে তা তিন মাসের জন্য স্থগিত করে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের এ আদেশের স্থগিতাদেশ চেয়ে বার কাউন্সিল আপিল দায়ের করলে ভোটার তালিকা হালনাগাদের শর্তে আপিল বিভাগ প্রথমে ১৩ আগস্ট তারিখ ধার্য করে দেন। পরে অ্যাটর্নি জেনারেলের সময় আবেদনে ২৬ আগস্ট নির্বাচনের তারিখ ধার্য করে দেন আপিল বিভাগ।
নির্বাচনে ১৪টি সদস্য পদে নির্বাচনের জন্য চূড়ান্তভাবে ৬১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৪ জন সদস্যের মধ্যে সারা দেশে সনদপ্রাপ্ত আইনজীবীদের ভোটে সাধারণ আসনে সাতজন এবং দেশের সাতটি অঞ্চলের স্থানীয় আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্য থেকে একজন করে সাতজন নির্বাচিত হবেন। একজন আইনজীবী সাধারণ আসনে সাতজন এবং নিজ অঞ্চলের একজন প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন।
জানা গেছে, সাধারণ আসনে সাতজন সদস্যের বিপরীতে ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাতটি অঞ্চলের লোকাল আইনজীবী সমিতির সাতটি সদস্যপদে মোট ২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এ নির্বাচনে সাধারণ আসনে সাতটি সদস্য পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, আরেকজন উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি এ জে মোহাম্মদ আলী, সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক  ও দলের যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন (খোকন), ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট বোরহানউদ্দিন ও অ্যাডভোকেট মহসিন মিয়া।
অন্যদিকে সাধারণ আসনে সরকার সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ সমর্থিত প্রার্থীরা হলেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, বার কাউন্সিলের সাবেক নেতা সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার ও সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, সাবেক আইনমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু, অ্যাডভোকেট পরিমলচন্দ্র গুহ (পিসি গুহ), অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম।
সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল ছাড়াও ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী সমাজ নামে আরেকটি প্যানেল দেয়া হয়েছে। এ প্যানেলে রয়েছেন ড. কামাল অনুসারী নেতা ও সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, শাহ মো: খসরুজ্জামান, এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিক, সরওয়ার ই-দীন, মো: হেলাল উদ্দিন, আবদুল মোমেন চৌধুরী ও জহিরুল ইসলাম।
তিন প্যানেলের বাইরে যারা আছেন তাদের মধ্যে সাধারণ আসনে রয়েছেন মো: ইস্রাফিল,  মো: ইউনুছ আলী আকন্দ, নাসির উদ্দিন আহম্মেদ অসীম, আবুল কালাম আজাদ, আবুল হোসেন, এনামুল কবির হাওলাদার, দেলোয়ার হোসেন মল্লিক, মাহবুব মিয়া, শওকত হায়াত, সামছুল হক, সুলতান এ সবুর।