নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবাইকে আগেই সতর্ক করে মেসেজ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, অপরাধী বা সন্ত্রাসী যে দলেরই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
বুধবার সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে ‘অপরাধ নিবারণ’ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
কয়েক দিন ধরে দেখা যাচ্ছে, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতারা ক্রসফায়ারের শিকার হচ্ছেন। কেন, জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘এটি ক্রসফায়ার নয়। র্যাব-পুলিশ বলছে এটি বন্দুকযুদ্ধ। তবে এর মধ্যে একটি ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে। সেটি হলো হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগ সভাপতির ঘটনা। এ জন্য খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের আওতায় কোনো সন্ত্রাসীকেই আমরা ছাড় দিচ্ছি না, সে যে দলেরই হোক।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের কারাগারগুলোতে বন্দি সংখ্যা কমাতে বিচার বিভাগের সহায়তা প্রয়োজন। বর্তমানে কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার কিছুটা বেশি বন্দি রয়েছে। যার বেশির ভাগই বিচারাধীন মামলার আসামি।
তিনি বলেন, সারা দেশের কারাগারগুলোতে প্রায় ৭০ হাজার আসামি বন্দি রয়েছে। যার ৭০ ভাগ মামলাই বিচারাধীন। মামলার সংখ্যা কমিয়ে আনতে পারলে কারাগারে বন্দির সংখ্যা কমে যাবে। এ জন্য বিচারাধীন মামলাগুলো নিষ্পত্তির প্রয়োজন। আর এটা একমাত্র বিচার বিভাগই পারে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, সুশাসন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে যুক্তরাজ্য, জার্মানির প্রতিনিধিদল ছাড়াও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান বক্তব্য দেন।

