ঢাকাSunday , 16 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের ফর্মুলা অপ্রয়োগযোগ্য

Link Copied!

asadujjaman-riponনিজস্ব প্রতিবেদক : উচ্চ আদালত যে দুটি ফর্মুলা দিয়েছেন তার বাস্তব ভিত্তিক কোনো সম্ভাবনা নেই এবং এটা প্রয়োগ যোগ্যও নয়। এ ফর্মুলার মাধ্যমে, নির্বাচন নিয়ে যে সঙ্কটের সৃষ্টি হয়েছে তা থেকে উত্তোরণের কোনো পথ খুলবে বলে বিএনপি মনে করেনা। তবে গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচন যে অবৈধ ছিল তা এ দুটি ফর্মুলায় স্বীকৃতি পেয়েছে।
রোববার বিকেলে নয়াপল্টনস্ত বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন।
তিনি বলেন, ‘বিচারকদের এ পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে জনগণের রায়ের চিত্র ফুটে উঠেছে। প্রমাণ হয়েছে বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু ও নিরেপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।’
‘খাই খাই রাজনীতি থেকে সরে আসুন’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে বিএনপির মুখপাত্র বলেন, ‘খাই খাই রাজনীতির কারণে একসময় আওয়ামী লীগের বেদনার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাই আমি আওয়ামী লীগকে খাই খাই রাজনীতি থেকে দূরে সরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি এবং নির্দলীয় , নিরপেক্ষ তত্তাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি নির্বাচনের আবারো দাবি জানাচ্ছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান সরকারের দুর্নীতি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে যে কোন্দল সৃষ্টি হয়েছে, এ সঙ্কট থেকে বের হয়ে আসার জন্য বিএনপি আওয়ামী লীগকে একটি সুযোগ দিতে চায়।’
তিনি বলেন, ‘দেশে বিরোধী দলের কোনো কর্মসূচি নেই। বর্তমান কোনো আন্দলন হরতাল ও অবরোধও নেই। কারণ বিএনপি পুনর্গঠন ও সংগঠনের কাজে ব্যস্ত রয়েছে। তবে আন্দোলন না থাকা সত্ত্বেও সরকারের অবস্থান ভালো নেই, সরকার ভিতরে ভিতরে দুর্বল। কারণ নিজেরাই নিজেদের কোন্দলে জড়িয়ে একে অপরকে হত্যা করছে। এবং মন্ত্রী এমপিদের দ্বারা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা লাঞ্ছিত ও অপমানিত হচ্ছেন। এটা একসময় গণবিস্ফোরণে পরিণত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, সহ-সাংগনিক আব্দুল কালাম আজাদ, কৃষি বিষয় সম্পাদক শামসুজ্জোহা, সহ-দপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, আসাদুল করিম শাহীন প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের দুটি ফর্মুলা দিয়েছেন হাইকোর্ট। প্রথম ফর্মুলায় বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হবেন প্রধানমন্ত্রী। নতুন ৫০ জন মন্ত্রী নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ওই সরকারের মন্ত্রিসভা গঠন করবেন। সংসদে প্রতিনিধিত্ব করা দলগুলো থেকে ভোটের হারের অনুপাতে মন্ত্রী নেয়া হবে। হাইকোর্টের দ্বিতীয় ফর্মুলায় রাষ্ট্রক্ষমতা ভাগাভাগির তত্ত্ব দেয়া হয়েছে। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল প্রথম চার বছর ক্ষমতায় থাকবে। আর সংসদের প্রধান বিরোধী দল সর্বশেষ এক বছর ক্ষমতায় থাকবে। তবে এর পেছনে শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে। আদালত বলেছে, প্রথম ফর্মুলার জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন হবে না। তবে দ্বিতীয় ফর্মুলার জন্য সংবিধান সংশোধন করতে হবে। হাইকোর্ট মনে করে, ফর্মুলাগুলো হয়তো বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর চর্চিত আক্রমণাত্মক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হওয়ার উপায়।