নিজস্ব প্রতিবেদক : জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়ায় জ্বালাও পোড়াও ছেড়ে বিএনপি আজ সুষ্ঠু রাজনীতিতে ফিরে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
মঙ্গলবার বিকেল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠিতব্য আগামী ২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপি প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
খাদ্য মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তিই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। আমরা এ হত্যায় মোস্তাক, ফারুক ও জিয়াকেই খুনি হিসেবে দেখেছি, এটাই সত্য। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আজ আমরা যখন বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন দেখছি, তখন সেই সাম্প্রদায়িক শক্তিই ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করছে।’
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘জ্বালাও পোড়ায়ের কারণে তাদের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে। যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে তারা আজ সুষ্ঠু রাজনীতিতে ফিরে এসেছে। আগামী ২০১৯ সালের নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনেই হবে। আমরা জানতে পেরেছি, বিএনপি সেই নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য গোপনে গোপনে প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে ১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিন প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ আজিজ বলেন, ‘আপনি (খালেদা জিয়া) এই মিথ্যা জন্মদিন পালন থেকে বিরত থাকুন। না হলে সেদিন জনতা আপনাকে ঘেরাও করবে।’
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী, সহস্র নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ শামসুল হক, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোপাল, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আশরাফুন্নেসা মোশাররফের, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, সভাপতি সাইফুজ্জামান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এসএম হোসাইন জাকির প্রমুখ।

