নিজস্ব প্রতিবেদক : দশম জাতীয় সংসদে বিএনপির কোনো প্রতিনিধিত্ব না থাকায় ২০১৯ সালের নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপি থাকার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।
রোববার দুপুরে ১৫ আগস্ট শোক দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘২০১৯ সালের নির্বাচনকালীন সরকারের নেতৃত্ব দিবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর বিএনপি বর্তমান জাতীয় সংসদে না থাকার কারণে নির্বাচনকালীন সরকারেও থাকার কোনো সুযোগ নেই।’
কামরুল বলেন, ‘বিএনপি তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যই আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।’
তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে বিএনপি সন্ত্রাসের পথ পরিহার করে সুস্থ রাজনৈতিক ধারায় ফিরে এসেছে। আমি বিশ্বাস করি ও আশা করি তারা তাদের মনের কুটিলতা ও পৈষাচিকতার কোনো কর্মসূচি দেবে না।’
এসময় মহানগর আওয়ামী লগের সাধারণ সম্পাদক ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, ‘বিএনপির অবস্থান এখনো মেঘাচ্ছন্ন। তাদের পেটে এক কথা মুখে আর এক কথা।’
শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে না এলে বিএনপির অবস্থা মুসলিম লীগের মত হবে বলে মন্তব্য করে মায়া বলেন, ‘নির্বাচনে না এলে আপনার দলের (বিএনপির) অবস্থা মুসলিম লীগের মত হবে।’
তিনি বলেন, ‘অনেকে আওয়ামী লীগের গন্ধ পেলেই হেয় করার জন্য নানা অপপ্রচার করে। তাই শোক দিবসের নাম করে কোনো ধরনের চাঁদা তোলা যাবে না। কারো বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পেলে তাদের কঠোর শাস্তি দেয়া হবে।’
বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে মায়া বলেন, ‘আপনার কথায় আমরা পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। তাই আপনি দেশকে ভালবাসলে দেশের এ শোকের মাসে অন্তত পক্ষে ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন করবেন না। তা নাহলে প্রমাণ হবে আপনি ভুলভ্রান্তি শুধরে উঠতে পারছেন না।’
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ আজিজের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুকুল চৌধুরী, হাজী মোহাম্মদ সেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল হক সবুজ।

