নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই বেশ কয়েকজন শীর্ষ রাজাকারসহ আটক দলের সব নেতাকর্মীর মুক্তি চেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
রোববার দুপুরে দলের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতি মকবুল আহমেদ বলেন, ‘সরকার কথিত মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মাওলানা আবদুস সুবহান, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীসহ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদেরকে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে কারাগারে আটক রেখেছে। এছাড়া বহু আলেমকে সরকার অন্যায়ভাবে বন্দী করে রেখে কষ্ট দিচ্ছে। পবিত্র এ রমজান মাসেও জামায়াতের শত শত নেতাকর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, মতিউর রহমান নিজামী, আব্দুস সুবহান, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, এটিএম আজহারুল ইসলাম ও মীর কাসেম আলীকে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ট্রাইব্যুনালে ফাঁসির দণ্ড দেয়া হলেও পরবর্তীতে আপিলের রায়ে আজীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
এদিকে জামায়াতের বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তেল, গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি, সন্ত্রাস, হত্যা, খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, গুম জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। হলমার্ক-ডেসটিনি-শেয়ার বাজার-পদ্মা সেতু কেলেঙ্কারি ও সীমাহীন দুর্নীতির কারণে দেশের মানুষ সরকারের বিরুদ্ধে আজ সোচ্চার। জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার জন্য সরকার মানবতাবিরোধী অপরাধের ইস্যুটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো জামায়াতে ইসলামীকে নিশ্চিহ্ন করা।’
বিবৃতিতে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চকে নিয়েও বিদ্রুপ করেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ।

