ঢাকাSunday , 12 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রেশমা খুনের নেপথ্যে ফ্ল্যাট নাকি অন্যকিছু?

Link Copied!

Reshmaনিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মিরপুরে কলেজছাত্রী আমেনা খাতুন রেশমা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজন নিকটাত্মীয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ‘সন্দেহভাজন খুনি’ হিসেবে রেশমার সৎ ভাই রবিন এবং ওই বাসার নিরাপত্তা প্রহরী মিলনকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও অব্যাহত আছে। তবে শনিবার পর্যন্ত পরিবারের কেউই পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে কলেজছাত্রী রেশমা হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করেনি।
গত তিন দিনের তদন্তের পর পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, পারিবারিক সম্পর্কের স্বার্থগত দ্বন্দ্বের জের ধরেই রেশমাকে হত্যা করা হয়েছে। রেশমার নামে মায়ের কেনা ফ্লাটটি হাতিয়ে নিতেই তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয় বলে সন্দেহ পুলিশের। তবে রেশমাকে হত্যা করা হলেই ফ্ল্যাটটি অন্য কেউ পেয়ে যাবে এমন কোনো সূত্র নেই । ফলে এই ক্লু নিয়ে দ্বিধায় আছেন তদন্তকারীরা।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, পরিবারের লোকজনকে সন্দেহ করেই রশমা হত্যা মামলার তদন্ত চলছে। বিসিআইসি’র কর্মচারী অর্থাৎ নিহত রেশমার বাবা আলমগীর হোসেনের তৃতীয় স্ত্রী খোদেজা বেগম, রেশমার মায়ের পূর্বের সংসারের দুই মেয়েসহ ওই পরিবারের সব সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তারা অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি কে বা কারা জড়িত ছিল সে সম্পর্কে কোন তথ্য দিতে পারেনি।
রেশমা যে ফ্ল্যাটে খুন হন সেই ফ্ল্যাটটি তার মা মরিয়ম বেগমের। ফ্ল্যাটটি রেশমাকে লিখে দেয়ার কথা ছিল। এই ফ্ল্যাটের মালিকানা নিয়েই রেশমা খুন হয়েছেন কি না- জানতে চাওয়া হলে মিরপুর থানার ওসি সালাউদ্দিন খান বলেন, ফ্ল্যাটের মূল্য ২৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে রেশমার মা মরিয়ম বেগম ১২ লাখ টাকা পরিশোধ করেছেন। বাকি টাকা দেয়া হয়নি বলে ফ্ল্যাটটি তার নামে এখনও রেজিষ্ট্রি হয়নি। তাই রেশমাকে খুন করলে ফ্ল্যাটের মালিকানা খুনীদের কাছে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। এই ফ্ল্যাটের মালিকানার দ্বন্দ্ব ছাড়াও পারিবারিক ব্যক্তিগত স্বার্থের কিছু বিষয় মাথায় রেখে মামলা তদন্ত করা হচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুর রাইনখোলার পাঁচতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে বিসিআইসি কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী আমেনা খাতুন রেশমাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় রেশমাকে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করতে শুনেছেন পাশের বাড়ির বাসিন্দারা। এক পর্যায়ে রেশমা ফ্ল্যাটের দক্ষিণ দিকের বারান্দায় গেলে এক নারী লাল ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে তাকে টেনে ভেতরে নিয়ে যান। এ দৃশ্যের প্রত্যক্ষদর্শী এক শিশু পুলিশের কাছে এ তথ্য জানিয়েছে। এ কারণে ধারণা করা হচ্ছে, এই খুনের সঙ্গে একজন নারীসহ কমপক্ষে দু’জন জড়িত।
খুনের ঘটনায় নিহতের মা মরিয়ম বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তৌহিদুল আরেফিন বলেন, রেশমাকে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন আসামি রবিন ও মিলনকে তিন দিনের রিমাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের কাছ থেকে এ হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য জানা সম্ভব হয়নি।