নিজস্ব প্রতিবেদক : বিচারকরা নিয়ন্ত্রিত- বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে আওয়ামী লীগেরন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিচার বিভাগের মানমর্যাদা রক্ষার জন্য খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অতিসত্বর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হোক।’
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় হলরুমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের আয়োজনে ‘পবিত্র রমজানে ইফতার মাহফিলের নামে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার মিথ্যাচার বক্তব্য-দেশবাসীর ধিক্কার’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ইফতারের আগে কেউ কারো গীবত করে না, মিথ্যা কথা বলে না অথচ রমজান মাসেও বেগম খালেদা জিয়া প্রতিদিন মিথ্যাচার করে নিজের সৃষ্ট মিথ্যাচারের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছেন। গত পরশু তিনি বলেছেন, দেশে যত মানুষকে পেট্রোল বোমা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে তার সব নাকি পুলিশ বাহিনীর কাজ। মিথ্যার জন্য যদি দেশে অলিম্পিক দেয়া হতো তাহলে তিনিই তা পেতেন।’
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে খালেদার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘শুধু পুলিশ নয় খালেদা বিচার বিভাগকেও কটাক্ষ করে কথা বলেছেন। বিচার বিভাগের মানমর্যাদা রক্ষার জন্য অতিসত্বর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হোক। বিচার বিভাগের মান-মর্যাদা সমুন্নত রাখার জন্য সুপ্রিম কোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।’
দেশের অবস্থা আরো খারাপ হবে বলে খালেদা জিয়া আবার পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ হত্যার ঈঙ্গিত করেছেন বলেও অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘খালেদা জিয়া জাতির কাছে একটি ভূত। কারণ তিনি মানুষ পুড়িয়ে মারছেন। তাই এই ভূতরুপী খালেদা জিয়াকে মানুষ আর তাদের সামনে দেখতে চায় না।’
আওয়ামী লীগের সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া বলেছিলেন শেখ হাসিনার পতন না ঘটিয়ে তিনি ঘরে ফিরবেন না। অথচ তিনি ঘরে ফিরেছেন হাসিনার নয় নিজের পতন ঘটিয়ে। আজকে বিএনপির এই দুর্দশার জন্য অন্য কেউ নয় বেগম খালেদা জিয়াই দায়ী।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জিন্নাত আলী খান জিন্নাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বলরাম পোদ্দার, এম এ করিম, মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক ভূইয়া, কলামিষ্ট খন্দকার মোজাম্মেল হক, কবি আবদুল খালেক, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুল হক প্রমুখ।

