ঢাকাThursday , 2 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঘেরে ডাকাতিকালে ৭ ডাকাত আটক

Link Copied!

Arestখুলনা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা উপজেলার তেঁতুলতলা শান্তিনগর এলাকার রাঙ্গেমারি মৌজার একটি ঘের থেকে মাছ ডাকাতির সময় ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় মাছ ধরার জাল ও নৌকাসহ অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার ভোরে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃত অন্যরা হলেন- জামালের সহযোগী আরিফ, আহাদুজ্জামান, সুমন, বিপ্লব, সুরুজ ও মুরসালিন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদল বৃহস্পতিবার রাতে রাঙ্গেমারি মৌজায় অবস্থিত ব্যবসায়ী মো. মাসুদুর রহমানের মাছের ঘেরে ডাকাতি শুরু করে। খবর পেয়ে বটিয়াঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে জামাল বয়াতীসহ ৭ জনকে আটক এবং মাছ ধরার জাল ও নৌকাসহ অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করে।
এদিকে, ৭ ডাকাতকে আটকের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের সহযোগীরা রাতেই ঘেরের পাহারাদার আব্দুস সাত্তার খাঁ’র ঘরে অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় তাদের চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এলে ঘরে থাকা তার স্ত্রী শাফিয়া বেগম এবং তার ৩টি শিশু রাজু (৮), রাকিব (৫) ও সাকিবসহ (৬ মাস) পরিবারের সদস্যরা অল্পের জন্য রক্ষা পান।
পাহারাদারের স্ত্রী শাফিয়া বেগম জানান, সেহরি খেতে ওঠার প্রস্তুতিকালে হঠাৎ গোল পাতার ঘরে আগুনে পোড়ার শব্দ এবং ধোঁয়া দেখতে পান। এ সময় তিনি চিৎকার দিলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা আগুন নিভিয়ে ফেলে। দুর্বৃত্তরা তাদের আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিবেশী গৃহবধূ লিলি বেগম জানান, আটককৃত ডাকাত এবং তার সহযোগী সোহাগ, ইমরান ও শামীমসহ অন্যদের উক্ত্যক্তের কারণে মেয়েরা স্কুল-কলেজে যেতে পারে না। প্রতিবাদ করার সাহস না পেয়ে মেয়েরা বাড়িতে বসে কান্নাকাটি করে। পুলিশ ও র‌্যাবের কাছে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
ঘেরের ম্যানেজার মো. সুলতান জানান, আটককৃতরা এর আগে জমি দখলের উদ্দেশে ৭টি সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলে। তারা প্রতিনিয়তই সেখানে বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকে।
বটিয়াঘাটা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মোল্লা ডাকাতদের আটকের সত্যতা স্বীকার করলেও রহস্যজনক কারণে ঘটনার ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে খুলনার পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আককৃতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেয়া হবে না।’
উল্লেখ্য, আটককৃত জামাল বয়াতী ভূমি জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের দায়েরকৃত মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও ভূমি দখলসহ একাধিক মামলা রয়েছে।